পুঁজিবাজার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান বিনিয়োগকারীরা

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

পুঁজিবাজার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান বিনিয়োগকারীরা

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:৪৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০১৯

পুঁজিবাজার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান বিনিয়োগকারীরা

অব্যাহত দর পতন কাটিয়ে পুঁজিবাজারে স্বস্তি ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিনিয়োগকারীরা। পাশাপাশি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিও করেছেন তারা।

বুধবার বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে মানববন্ধন করেন বিনিয়োগকারীরা।

এসময় সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূরুল হক খান বলেন, বিএসইসির বর্তমান পর্ষদের কারণে পুঁজিবাজারে দর পতন অব্যাহত রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা তাদের উপর আস্থা রাখতে পারছে না।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে এসেছিল। বাজারে উত্থানও দেখা গেছে। কিন্তু বর্তমান পর্ষদের উপর আস্থা না থাকায় নিয়মিত দর পতনে ভুগছে বাজার।

নুরুল হক বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়নের জোয়ার দেশের প্রত্যেকটি খাতে লেগেছে। কিন্তু শেয়ার মার্কেট উল্টা পথে হাঁটছে। কিছু দুস্কৃতিকারী সরকারের সুনাম নষ্ট করতে এমন করছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতার উত্তোরণে প্রধানমন্ত্রী আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি একেএম মিজান-উর-রশিদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাকসহ অন্যান্য বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে সংগঠনটির সভাপতি একেএম মিজান-উর-রশিদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা পুঁজিবাজারের রক্ষকের ভূমিকা নাই। তাই বিএসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ ৬ দফা দাবিতে আমরা মানববন্ধন করছি।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের অনেক আগেই চিহ্নিত করা হলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বিএসইসি বাজারে কোম্পানির আইপিও বাণিজ্যে মেতে উঠেছে যা বন্ধ করতে হবে।

মিজান-উর-রশীদ আরো বলেন, ২০১০ সালের ধসের পর বাজার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল। কিন্তু বিগত ৯ বছরেও প্রণোদনার ৫০ শতাংশ পরিপালন হয়নি।

বাজারের স্থিতিশীলতায় বিনিয়োগকারীদের দাবিগুলো হলো: আইপিও’র বাণিজ্য বন্ধ করা, ইব্রাহীম খালেদের তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা, যেসব শেয়ারের দর ইস্যু মূল্যের নিচে চলে এসেছে সেগুলো বাইব্যাক করা, বিএসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগ, যে সমস্ত কোম্পানি পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করবে তাদেরকে ন্যূনতম ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেয়া এবং পুঁজিবাজারে জেড ক্যাটাগরি এবং ওটিসি মার্কেটের বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

জেডএস/এএসটি

 

শেয়ারবাজার: আরও পড়ুন

আরও