কুমিল্লায় ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে মাদ্রাসা ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ | ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

কুমিল্লায় ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে মাদ্রাসা ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ

কুমিল্লা প্রতিনিধি ২:১৮ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ০৬, ২০১৮

কুমিল্লায় ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে মাদ্রাসা ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে মাদ্রাসায় পড়ুয়া ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রী বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের আসাদনগর গ্রামে এ বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে কনের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বিয়ে বন্ধের ব্যবস্থা করেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আসাদনগর গ্রামে চন্ডিপুর মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে বৃহস্পতিবার বুড়িচং উপজেলার জগৎপুর গ্রামের এক প্রবাসীর বিয়ের দিন ধার্য করা হয়।

খবর পেয়ে মালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ স্থানীয় ওয়ার্ডের মেম্বার মো. কামাল হোসেন, মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবদুল রশীদ জাবেরীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কনের বাড়িতে হাজির হন। তারা দীর্ঘক্ষণ সেখানে অবস্থান করে বাল্যবিবাহের ক্ষতিকারক দিকগুলো এবং আইনগত বিষয়গুলো উপস্থাপন করে বাল্যবিয়ে বন্ধের আহবান জানালে মাদ্রাসার ছাত্রীর পিতা জজু মিয়া ১৮ বছরের পূর্বে মেয়ের বিবাহ দিবেন না বলে লিখিত অঙ্গীকার করেন।

ইউপি চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা ওই এলাকা থেকে চলে আসার পর দুপুর ১ টায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আফরোজা বেগম ওই বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে কনের পিতা জজু মিয়াকে না পেয়ে তার স্ত্রীর কাছ থেকে বিয়ে না দেওয়ার আরও একটি লিখিত অঙ্গিকারনামা আনেন।  

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নিবাহী অফিসার মো. জহিরুল হক বলেন,  উপজেলার কোথাও কোন বাল্য বিবাহের খবর পাওয়া গেলে তা কঠোর হস্তে তা দমন করা হবে। তিনি জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে বাল্যবিয়ে বন্ধের বিষয়টি শুনে তাৎক্ষণিক উপজেলা  মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি।

 
জেএস/আরজি