এলএ শাখার চেইনম্যানের বিরুদ্ধে স্ত্রীসহ দুদকের মামলা

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

এলএ শাখার চেইনম্যানের বিরুদ্ধে স্ত্রীসহ দুদকের মামলা

চট্টগ্রাম ব্যুরো ১১:০৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০১৯

এলএ শাখার চেইনম্যানের বিরুদ্ধে স্ত্রীসহ দুদকের মামলা

অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের দায়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার চেইনম্যান মো. নজরুল ইসলাম (৫২) ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে দুদক জেলা সমন্বিত কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর উপসহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে দুদক জেলা সমন্বিত কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এই মামলাটি রেকর্ড করা হয়।

দুদক জেলা সমন্বিত কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর উপসহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন এই খবর নিশ্চিত করেন।

মামলার অপর আসামি হলেন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখার চেইনম্যান মো. নজরুল ইসলামের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম। নজরুল ইসলাম ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে কর্মরত। তিনি হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর বালুখালী এলাকার মৃত আলী আহমদের পুত্র।

তারা নামে নগরের ও আর নিজাম রোড জুমাইরা পয়েন্ট ৩ নম্বর রোডের ৪০৪ নম্বর ফ্ল্যাটে থাকেন।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ক্ষমতা অপব্যবহার করে অর্জিত অর্থ নজরুল ইসলাম ও স্ত্রীর ৫টি ব্যাংকের হিসাব শাখায় ৯ কোটি ৭৭ লাখ ৩৫ হাজার ৯৭৬ টাকা জমাপূর্বক সন্দেহজনক লেনদেন হয়। ওই অর্থের বিপরীতে ৩ কোটি ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৬৯৮ টাকা ভোগ দখলে রাখায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ (২) ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা, ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

মামলার বাদী মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রামের এলএ শাখার চেইনম্যান নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী বিরুদ্ধে একটি মানিলন্ডারিং মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিপূর্বে গ্রেফতার হয়ে নজরুল ইসলাম বর্তমানে কারাগারে আছে।

এই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ  দেয়ার পর নজরুলকে শ্যোন এ্যারেস্ট দেখানো হবে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তকালে এ ঘটনায় অন্য কারো সম্পৃক্ত পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ৭ নভেম্বর নগরে  ষোলশহর ‘চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স’২য় তলায় ‘আনুকা’নামক দোকানে এলএ শাখার ঘুষ লেনদেনে অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনার করা হয়। এসময় বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া ঘুষের নগদ সাড়ে ৭ লাখ টাকাসহ ৯১ লাখ ৮৩ হাজার টাকার ১২টি চেক উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় দুদক জেলা সমন্বিত কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

এআরই

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও