খুঁড়িয়ে চলছে ফেনী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

খুঁড়িয়ে চলছে ফেনী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

ফেনী প্রতিনিধি ৭:১৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০১৯

খুঁড়িয়ে চলছে ফেনী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

ফেনীতে নানা সমস্যার কারণে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরটি।

পরিবহন ব্যবস্থা ও অস্ত্র না থাকায় তথ্য পেয়েও অভিযান চালিয়ে সময়মতো নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছতে না পারায় ব্যর্থ হন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শহরের তাকিয়া রোডে জেলা প্রশাসক থেকে তিন শতক জায়গা বরাদ্দ নিয়ে গড়ে তোলা হয় ভবন। দ্বিতল বিশিষ্ট ওই ভবনে চলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম। ভবনের পরিসর বাড়াতে আরো দুই শতক জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু ওই জায়গা বুঝে না পাওয়ায় স্বল্প পরিসরের ভবনেই কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মকর্তারা।

সরেজমিন দেখা গেছে, ভবনটিতে যাতায়াতের জন্য সুপরিসর পথও নেই। সড়কের প্রবেশপথে স্থানীয় ভূমি অফিসের সরকারী জায়গা দখল করে বেঙ্গল ড্রাগসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ব্যবসা করছে। প্রয়োজনীয় কক্ষ নেই। অনেক সময় মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের রাখা হয় অফিসিয়াল কক্ষে। নেই কোন নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা। ভাড়া করা পরিবহনে অভিযানে বের হতে হয়। মাদক মামলায় আটককৃত গাড়ি ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি রাখতে বিপাকে পড়তে হয় তাদের।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সরকারের এই দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে অস্ত্র না থাকায় অভিযানে অন্য বাহিনীর উপর নির্ভর করতে হয়। এদিকে গত বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর পরিদর্শন করে বেদখল হওয়া জায়গা দখলমুক্ত করতে এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দেন।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলার ৬ উপজেলা ৫ টি পৌরসভার ৪৩টি ইউনিয়নের সবমিলিয়ে প্রায় ১৮ লাখ নাগরিকের জন্য মাত্র ৪ জন কর্মকর্তা কর্মরত রয়েছেন। দুই জন সিপাহী রয়েছেন।

অধিদপ্তরের পরিদর্শক অমর কুমার সেন জানান, সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় জনবল প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। মাত্র ৬ জন নিয়ে মাদক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কঠিন। তবুও জেলা প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর সহযোগীতায় এ জেলায় মাদক বিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এএএম/এমকে

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও