সাংবাদিকতা ছেড়ে নির্বাচনী মাঠে কমল

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

সাংবাদিকতা ছেড়ে নির্বাচনী মাঠে কমল

কক্সবাজার প্রতিনিধি ৭:৫৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০১৯

সাংবাদিকতা ছেড়ে নির্বাচনী মাঠে কমল

সাংবাদিকতা ছেড়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন আলোচিত অনুসন্ধানী সাংবাদিক কমল সালাউদ্দিন।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনুসন্ধানী টেলিভিশন অনুষ্ঠান ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ‘তালাশ’ ও যমুনা টেলিভিশনের ‘ইনভেস্টিগেশন 360 ডিগ্রী’র সিনিয়র রিপোর্টার ছিলেন কমল সালাউদ্দিন।

গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি এবং আল জাজিরায় ও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন কমল সালাউদ্দিন। টিভি পর্দায় কমল সালাউদ্দিন নামে পরিচিত হলেও তার আসল নাম সালাহ উদ্দিন কমল হেলালী।

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী হচ্ছেন কমল। কমলের বাবা মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন হেলালী শাপলাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যন ছিলেন।

আগামি ১২ ডিসেম্বর শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কমল মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছেন। পুরোদমে নির্বাচনী মাঠেও নেমে পড়েছেন তিনি।

২০০৬ সাল থেকে প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলেন কমল। পেশাগত জীবনের বাইরে সৃজনশীল ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িত রেখেছেন।

কমল বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে যে দেশপ্রেম ও চেতনা ভেতরে কাজ করছে, সেটিই আমাকে এই নির্বাচনে টেনে এনেছে। আমার বাবা এই শাপলাপুর ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের চেয়ারম্যন ছিলেন। এই শাপলাপুরের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আমার মরহুম বাবার অনেক স্বপ্ন ছিল। আমি তার স্বপ্ন যেমন বাস্তবায়ন করতে চাই, তেমনি মহেশখালীতে যে উন্নয়ন মহাযজ্ঞ শাপলাপুর বাসীকে তার সারথি করতে চাই।

তিনি বলেন, টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্মাণ, ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার, নিত্য-নতুন উৎপাদন প্রণালি আবিষ্কার, নারীদের জন্য কুটিরশিল্প, যুবকদের জন্য কারিগরি বিদ্যালয়, ভকেশনাল ট্রেনিং, তরুণদের জন্য পাঠাগার-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য সৃজনশীল কর্মসূচি, স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পসহ ইউনিয়নটিকে ডিজিটাল ইউনিয়নে রূপান্তরসহ শতভাগ সাক্ষরতা নিশ্চিত করতে চাই আমি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শাপলাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন হেলালী ছিলেন দলের ত্যাগী সংগঠক। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য পাকিস্তান সরকার তার বিরুদ্ধে সিআর মামলা নং ৮৯/৭১ দায়ের করেন। চেয়ারম্যান হিসেবেও দারুণ জনপ্রিয়তা ছিলেন তিনি।

আই/এমকে

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও