ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু, কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু, কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ১:০২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০১৯

ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু, কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ‘ভুল চিকিৎসায়’ নওশিন আহম্মেদ দিয়া (২৯) নামে এক প্রসুতির মৃত্যুর অভিযাগে তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নওশিন আহম্মেদ দিয়া শহরের ক্রিসেন্ট কিন্ডার গার্টেন স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন।

মামলার পর ময়নাতদন্তের জন্য শুক্রবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জেলা শহরের শেরপুর কবরস্থান থেকে দিয়ার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা আফ্রাদের উপস্থিতে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন সদর মডেল থানার উপ- পরিদর্শক (এসআই) নারায়ণ চন্দ্র দাস।

পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

গত বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মৃত দিয়ার বাবা শিহাব আহম্মেদ গেদু বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মুন্সেফপাড়ার খ্রীস্টিয়ান মেমারিয়াল হাসপাতালের স্বত্ত্বাধিকারী ডা. ডিউক চৌধুরী ও তার ক্লিনিকের দুই চিকিৎসক অরুনেশ্বর পাল এবং শাহাদাৎ ও হোসেন রাসেল।

আসামিরা দিয়ার মৃত্যুর পর তার মুখে অক্সিজেন লাগিয়ে দ্রুত ঢাকার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিল বলে অভিযাগ করা হয়েছে। পরবর্তীত ঢাকার হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা জানান দিয়া কয়েক ঘণ্টা আগেই মারা গেছেন।

আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার জন্য সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি সদর মডেল থানা নথিভুক্ত করে। পরে আদালতের নির্দেশে শুক্রবার ময়নাতদন্তের জন্য দিয়ার মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়।

এসময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা আফ্রাদ বলেন, আদালতে নির্দেশ মরদেহ উত্তোলনের জন্য আমরা কবরস্থানে এসেছি। মরদেহটি উত্তোলনের পর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি প্রেরণ করা হয়েছে।

এআর/

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও