ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাসপাতাল ছেড়েছে ট্রেনে আহতরা

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাসপাতাল ছেড়েছে ট্রেনে আহতরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাসপাতাল ছেড়েছে ট্রেনে আহতরা

ট্রেন দুর্ঘটনায় সব মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে মঙ্গলবার রাতেই হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসন। আহতরা ছেড়েছেন সরকারি হাসপাতাল। গুরুতর আহতদের পাঠানো হয়েছে ঢাকায়।

বুধবার সকাল থেকেই স্থানীয় উৎসুক মানুষ আসছে মন্দবাগ রেল দুর্ঘটনাস্থলে। যদিও দেখার তেমন কিছু আর বাকি নেই।

রেললাইনের পাশে পড়ে রয়েছে দুর্ঘটনায় গুড়িয়ে যাওয়া ট্রেনের কোচের অংশ। এতে লেগে রয়েছে ট্রেনযাত্রীদের কাপড়ের ছেড়া অংশ। ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নারী, পুরুষ ও শিশুর পায়ের জুতা। রেলে পাটাতনে কিছু অংশে লেগে রয়েছে মানুষের রক্ত। এ যেন এক অন্যরকম পরিবেশ।

সকালে ও রাতে ঘটনাস্থল থেকে নিহত ও অঙ্গহানি হওয়া যাত্রীদের অঙ্গপতঙ্গ বস্তায় ভরে নিয়ে আসা হয়ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে। এর মধ্যে ছিল কারো শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হাত, কারো হাত-পায়ের আঙুল, কারো কান ও চামড়ার অংশ। সকালে এগুলো আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয় পুঁতে ফেলার জন্য।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক শওকত হোসেন পরিবর্তন ডটকমকে  জানান, ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত ৪১ জন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিল। এসময় তাদেরকে হাসপাতাল থেকে সকল ওষুধ সরবরাহ করা হয়। আহতদের নামের তালিকা গতকালই হাসপাতালের বিভিন্ন পয়েন্টে ঝুলিয়ে দেয়া হয়৷

তিনি জানান, আহতদের স্বজনরা হাসপাতালে এসে তাদের খোঁজ পায়৷ তাদের নিয়ে যায় হাসপাতাল থেকে। সকালে রেল মন্ত্রণালয়ের লোকজন এসে আহত একজন রোগীকে পায় হাসপাতালে। তখন সেই রোগীকে তারা আর্থিক সহায়তা করেন। সর্বশেষ বুধবার দুপুরে আহত হবিগঞ্জের সুব্রত চৌধুরীকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালে ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত কেউ ভর্তি নেই।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জানান, গুরুতর আহতদের মধ্যে ৬ জনকে ঢাকা সিএমএইচে, ৯ জনকে পঙ্গু ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো করা। আহতদের বেশির ভাগ বাড়ি সিলেট হওয়ায় অনেকে নিজ ইচ্ছায় ছাড়পত্র সিলেট মেডিকেলে চলে গেছে।

এআর/এইচআর

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও