লাখো পুণ্যার্থীর সাধু ধ্বনিতে মুখরিত রাজবন বিহার

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

লাখো পুণ্যার্থীর সাধু ধ্বনিতে মুখরিত রাজবন বিহার

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি ৫:৩০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৮, ২০১৯

লাখো পুণ্যার্থীর সাধু ধ্বনিতে মুখরিত রাজবন বিহার

লাখো পুণ্যার্থীর সাধু সাধু ধ্বনিতে রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে শেষ হয়েছে দুই দিনব্যাপী ৪৬তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান উৎসব।

শুক্রবার দুপুরে পুণ্যার্থীরা বনভান্তের স্মৃতির উদ্দেশে কল্পতরু এবং চীবর দান করেন। এসময় চীবর গ্রহণ করেন, রাজবন বিহারের আবাসিক প্রতিনিধি শ্রীমৎ প্রজ্ঞালঙ্কার মহাস্থবির।

শুক্রবার সকাল ৬টায় বুদ্ধ পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় দেব-মানবের তথা সকল প্রাণীর হিতার্থে ধর্মদেশনা।

ধর্মদেশনায় উপস্থিত ছিলেন, রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান শ্রীমৎ প্রজ্ঞালঙ্কার মহাস্থবির। চীবর তৈরির পর শুক্রবার দুপুর একটায় শোভাযাত্রা সহকারে কঠিন চীবর ও কল্পতরু মঞ্চে আনা হয়। পঞ্চশীল গ্রহণের পর দুপুর আড়াইটায় বনভান্তের মানব প্রতিকৃতির উদ্দেশ্যে কঠিন চীবর উৎসর্গ করা হয়েছে।

দানোৎসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সংসদের সংরক্ষিত আসনের সাংসদ বাসন্তী চাকমা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ, চাকমা সার্কেল চিফ ও রাজবন বিহারের প্রধান পৃষ্টপোষক ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় ও চাকমা সার্কেলের উপদেষ্টা রানী ইয়েন ইয়েন, রাজবন বিহার উপাসক-উপাসিকা পরিষদের সহ-সভাপতি গৌতম দেওয়ানসহ বিভিন্ন সস্তরের সাধারণ মানুষ। 

রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান শ্রীমৎ প্রজ্ঞালঙ্কার মহাস্থবির, পার্বত্য অঞ্চলের শান্তিসহ সারা বিশ্বের মানুষের শান্তি কামনা করা হয়। আগামী দিনগুলোতে মারামারি হানাহানি বন্ধ হয়। সুখে শান্তিতে সবাই মিলে পৃথিবীতে বসবাস করতে পারি সেই মঙ্গল কামনা করেন তিনি।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বেইনঘর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই উৎসব। এটি পার্বত্যাঞ্চলে বৌদ্ধদের বৃহত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব।

শুক্রবার দুপুরে গৌতম বুদ্ধ ও বনভান্তের প্রতিকৃতিতে চীবর দান ও দেশনার মাধ্যমে শেষ হয় এবারের দানোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। এ দানোৎসবে প্রায় লক্ষাধিক লোকের সমাগম হয় প্রতি বছরই।

এইচআর

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও