জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির বহিষ্কার দাবি ছাত্রদলের

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির বহিষ্কার দাবি ছাত্রদলের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ১১:১৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৭, ২০১৯

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির বহিষ্কার দাবি ছাত্রদলের

“জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস” উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভায় হামলার ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম আবুল বাশারের বহিষ্কার দাবি করেছে জেলা ছাত্রদল।

বৃহস্পতিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফুজায়েল চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার বিকেলে “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস” উপলক্ষ্যে ফুলবাড়িয়া কনভেনশন সেন্টারে জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচির সভাপতিত্বে শুরু হয়। অনুষ্ঠান শুরুর প্রাথমিক অবস্থায় চেয়ার বসাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জেলা স্বেছাসেবক দলের সভাপতি এইচ.এম. আবুল বাশার অনুষ্ঠানস্থলে ত্যাগ করে বাইরে চলে যায়।

পরবর্তীতে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আনুষ্ঠানিক ভাবে আলাচনা সভার কার্যক্রম শুরু হয়। ঠিক ঐ মুহূর্তে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির নেতৃত্বে তার ভাই, ভাতিজা, পুত্র, নাসিম, অনিক, শুভ, তারেক, রিফাতসহ ২৫/৩০ জন যারা সবাই সরকার দলীয় সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত এবং পদধারী একটি সশস্ত্র দল অনুষ্ঠানস্থলে এসেই জানালা, পাখা, চেয়ার-টেবিল সহ ব্যাপক ভাঙচুর করে।

এ সময় জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোল্লা সালাহউদ্দিন, এখলাছ ও এরশাদসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর ভাবে আহত হয়। তাদের সদর হাসপাতাল চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ সময় গুরুতর আহত আসমত মিয়া (৬০) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে।

দলীয় অনুষ্ঠানে সরকার দল সমর্থিত আওয়ামী পরিবারের চিহ্নিত পদ-পদবীধারী সন্ত্রাসীদের এনে এহেন ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদল। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ.এম. আবুল বাশারকে সংগঠন থেকে বহিস্কারপর দাবি জানান।

এছাড়াও জেলা বিএনপি ও জেলা যুবদল পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইচ এম আবুল বাশারকে দায়ী করেন। পাশাপাশি তারা হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

এবিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম আবুল বাশার বলেন, চেয়ারে বসা নিয়ে কথা কাটাকাটির পর আমি সভাস্থল থেকে বের হয়ে আসি। পরে কে বা কারা হামলা করেছে তা আমি জানি না। আমি এই ঘটনায় জড়িত নয়।

এআর/এআরই

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও