জায়গা দখলে বাঁধা দেওয়ায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

জায়গা দখলে বাঁধা দেওয়ায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ১১:২১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০১৯

জায়গা দখলে বাঁধা দেওয়ায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় জমি দখল করতে না দেওয়ায় এক পরিবারের স্বামী-স্ত্রীকে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপারের বরাবরের একটি আবেদন ও মামলা দায়ের করেছেন উপজেলার মাইজখার এলাকার ভুক্তভোগী তৌহিদ হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ রাহেলা।

জানা গেছে, জেলার কসবা উপজেলার মাইজখার তৌহিদ হোসেনের স্ত্রী মোছঃ রাহেলার ২৬.৫০ (পয়েন্ট) শতকের একটি নাল ভূমি রয়েছে। এই জমিটি দখল করতে স্থানীয় আঃ আজিজ, জয়নাল আবেদীন, বাবুল মিয়া ও আরমান গ্রুপ দীর্ঘদিন যাবত চেষ্টা করছে। জমিটি কোনো প্রকার দখল করতে না পেরে পাশের একটি হিন্দু বাড়ির বনের কুঞ্জিতে আগুন লাগিয়ে একটি অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করে।

তৌহিদ হোসেন ও তার স্ত্রী মোছাঃ রাহেলাকে ফাঁসাতে ওই অজ্ঞাত আসামির মামলায় আসামি হিসেবে তাদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। কসবা থানায় ওসি লোকমান হোসেন তৌহিদ ও তার স্ত্রীকে খালি একটি স্ট্যাম্পে সাক্ষর দিতে বলেন। তারা খালি স্ট্যাম্পে সাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

একদিন থানায় রেখে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন। তারা জেলে থাকার সুযোগে গত ১৪ অক্টোবর সোমবার মধ্যরাতে মোছাঃ রাহেলার বাড়িতে আঃ আজিজ, জয়নাল আবেদীন, বাবুল মিয়া ও আরমান গ্রুপ হামলা করে। হামলা করে বাড়ি-ঘরের দরজা জানালা ভাঙচুর করা হয়।

হামলায় মারাত্মক ভাবে আহত হয় তাদের ছেলে নাঈম। নাঈমকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে ভর্তি করা হয়। সদর হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় পরের দিন রাত সাড়ে ৯টায় একজন সিভিল পুলিশ সদস্য সহ আঃ আজিজ, জয়নাল আবেদীন, বাবুল মিয়া ও আরমান আহত নাঈমকে পূণরায় এলোপাথাড়ি মারধোর করে।

খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ এসে নাঈমকে উদ্ধার করে ও সিভিল পুলিশ সদস্যের নাম-পরিচয় সংগ্রহ করে এবং মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন। নাঈমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মোছাঃ রাহেলা বাদী হয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত কসবা থানাকে মামলাটি আমলে নিতে নির্দেশ প্রদান করে। পরে কসবা থানা মামলাটি আমলে নেন, যার নং-২৭৭/১৯ইং।

এ ব্যাপারে জানতে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন বলেন, আমার সাথে কারো কোনো কথা হয়নি। তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এআর/এআরই

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও