বান্দরবানে চা প্রক্রিয়াজাতকরণের নতুন কারখানা স্থাপন

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

বান্দরবানে চা প্রক্রিয়াজাতকরণের নতুন কারখানা স্থাপন

বান্দরবান প্রতিনিধি ৮:৫২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০১, ২০১৯

বান্দরবানে চা প্রক্রিয়াজাতকরণের নতুন কারখানা স্থাপন

পার্বত্য চট্টগ্রামে দ্বিতীয় চা প্রক্রিয়াজাতকরণের নতুন কারখানা স্থাপন করা হয়েছে বান্দরবানে। এখন থেকে এ অঞ্চলের চাষিরা খুব সহজেই চা পাতা বিক্রি ও প্রক্রিয়াজাত করতে পারবে।

ঘণ্টায় ১৮০ থেকে ২০০ কেজি পর্যন্ত চা প্রক্রিয়াজাতকরণ করা যাবে এই কারখানাটিতে।

মঙ্গলবার চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আল মোস্তাহিদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুয়ালক ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়ায় নতুন কারখানাটির উদ্বোধন করেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে চা বোর্ডের অর্থ-বাণিজ্য সদস্য ইরফান শরিফ, গবেষণা ও উন্নয়ন সদস্য গোলাম মাওলা, প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আমির হোসেন, চা সমিতির সভাপতি মং ক্য চিং চৌধুরীসহ চা বোর্ডের কর্মকর্তা ও চা চাষিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বান্দরবানের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহিদুল এমরান।

পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্রায়তন চা চাষ প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয়ে বান্দরবানে এই কারখানাটি নির্মাণ করা হয়েছে। নতুন এই প্রকল্পে বান্দরবানে ৭০ হেক্টর জমি চা চাষে আওতায় এসেছে। ২০০৫ সালে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে চা চাষ প্রকল্প শুরু করা হয়। বর্তমানে চা চাষির সংখ্যা ৮২ জন। মোট ১৯২ হেক্টর জমিতে বান্দরবানে বর্তমানে চা চাষ হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

নতুন নির্মিত চা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় এসব চাষিরা খুব সহজেই তাদের বাগানে উৎপাদিত চা পাতা বিক্রি করতে পারবে।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আমীর হোসেন জানিয়েছেন, ২০০৫ সালে চালু হওয়া ক্ষুদ্রায়তন চা চাষ প্রকল্পের মেয়াদ ১৫ সালে শেষ হয়ে যায়। বর্তমানে চা চাষের আওতা বাড়াতে নতুন একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় চা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন ও চা বাগানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। কারখানাটি চা চাষিদের জন্য নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসবে বলে ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, আগে বান্দরবানের চা চাষিরা জেলার বাইরের কারখানায় চা পাতা বিক্রি করতো। এতে করে খরচ বেশি হতো।  তবে এখন চাষিরা সুয়ালক এলাকায় কারখানায় চা পাতা বিক্রি করতে পারবে ন্যায্যমূল্যে। এতে করে বান্দরবানে চা চাষ আরো সম্প্রসারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এইচআর

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও