হালদা দূষণ: এশিয়ান পেপার মিলসের উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

হালদা দূষণ: এশিয়ান পেপার মিলসের উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ

চট্টগ্রাম ব্যুরো ৪:০৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০১৯

হালদা দূষণ: এশিয়ান পেপার মিলসের উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ

বর্জ্য ফেলে হালদা নদী দূষণের দায়ে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করার দুই মাস পর ফের একই অপরাধ করায় চিটাগং এশিয়ান পেপার মিলসের উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রোববার দুপুরে পরিবেশ অধিদফতরের চট্টগ্রাম মহানগরের পরিচালক আজাদুর রহমান মল্লিক এ নির্দেশ দেন।

এদিন দুপুরে অধিদফতরের চট্টগ্রাম মহানগরের পরিচালকের কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দীর্ঘ শুনানি হয়। এরপরই এই সিদ্ধান্ত দেয়া হয়।

পরে পরিবেশ অধিদফতরের বার্তায় জানানো হয়, শুনানির পর জরুরি ভিত্তিতে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ত্রুটি সংশোধন করে ইটিপি সার্বক্ষণিক চালু রাখার পদক্ষেপ গ্রহণ ও পরিবেশসম্মতভাবে বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এসব ব্যবস্থা গ্রহণ না করা পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত ১৪ আগস্ট পরিদর্শনে প্রতিষ্ঠানটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খুবই নাজুক পরিলক্ষিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির স্লাজ খোলা স্থানে রাখা হয়েছে, যা বৃষ্টির পানিতে সহজে ধুয়ে পার্শ্ববর্তী খালে অপসারিত হয়। এই পানি পরবর্তীতে মরাছড়া খাল হয়ে হালদা নদীতে পড়ে।

খবর পেয়ে ১০ আগস্ট রাতে ঘটনাস্থলে যান হাটহাজারীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমীন। পরদিন কারখানাটি পরিদর্শন করেন হালদা গবেষকরা।

হাটহাজারীর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রুহুল আমীন বলেন, বর্জ্য ফেলে হালদা নদীর পানি ও পরিবেশ দূষণের খবর পেয়ে সেখানে যাই। এশিয়ান পেপার মিল থেকে বর্জ্য নদীসংলগ্ন ছড়ায় ছেড়ে দেয়া হচ্ছিল। ছড়াটি কাটাখালী খালের সঙ্গে সংযুক্ত। এসব বর্জ্য সরাসরি হালদায় গিয়ে পড়ে।

গত ১০ জুন একই অপরাধে এশিয়ান পেপার মিলকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করে পরিবেশ অধিদফতর। সে সময় এক মাসের মধ্যেই বর্জ্য পরিশোধন প্লান্ট (ইটিপি) চালুর নির্দেশ দেয়া হলেও তার বাস্তবায়ন করেনি প্রতিষ্ঠানটি।

জেএইচ/আইএম

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও