চট্টগ্রামে ঈদুল আযহা উদযাপন

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

চট্টগ্রামে ঈদুল আযহা উদযাপন

চট্টগ্রাম ব্যুরো ২:৫৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০১৯

চট্টগ্রামে ঈদুল আযহা উদযাপন

দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও কাশ্মীরসহ সারা বিশ্বের মুসলমানদের উপর চলমান নির্যাতন বন্ধে আল্লাহর রহমত কামনার মধ্যদিয়ে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে উদযাপিত হল পবিত্র ঈদুল আযহা।

সকাল থেকেই নামাজ আদায় এবং পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে ঈদ উৎসব শুরু হয়। সোমবার সকাল পৌনে ৮টায় নগরীর জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে ঈদুল আযহার প্রথম ও প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদের পেশ ইমাম মোহাম্মদ আহমুদুল হক।

একই স্থানে সকাল পৌনে ৯টায় অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় জামাত। এতে ইমামতি করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া আলীয়া মাদ্রাসার প্রধান মোফাচ্ছির কাজী মাওলানা মোহাম্মদ ছালেকুর রহমান।

নামাজের পর খুতবায় দেশের সার্বিক নিরাপত্তা এবং  কাশ্মীরসহ বিশ্ব মুসলমানদের উপর আল্লাহর খাস রহমত ও গায়েবি মদদ কামনা করা হয়। একই সঙ্গে ত্যাগের মহিমায় আত্মশুদ্ধি এবং মনের পশুকে কোরবানি দেয়ার কথাও বলা হয়।

জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে প্রথম ও প্রধান জামাতে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের নেতারা এক কাতারে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

সেখানে নামাজ শেষে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মুসল্লিরা পরস্পরের সঙ্গে ঈদের কোলাকুলি এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

জমিয়াতুল পালাহ ঈদগাহ ময়দানে নামাজ আদায় করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মীর মো.নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, নগর বিএনপির সভাপতি ডা.শাহাদাৎ হোসেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠসহ বিভিন্ন শ্রেণির-পেশার মুসল্লিরা।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে এবার সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ১৬৮ টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটির উদ্যোগে নগরীর ৯৩টি স্থানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল ৮টায় এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

নামাজ আদায়ের পরপরই নগরীর বিভিন্ন অলিগলি, রাস্তায়, মাঠে, বাসা-বাড়ির সামনে পশু কোরবানি শুরু হয়।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন জানান, বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রায় চার হাজার কর্মী বিভিন্ন ওয়ার্ডে চলে গেছেন। ৩০০টি গাড়িও বের হয়েছে।

তিনি জানান, নিয়মিত আড়াই হাজার টন এবং কোরবানির ৫ হাজার টন মিলিয়ে এবার সাড়ে ৭ হাজার টন বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিকেল ৫টার মধ্যে বর্জ্য পুরোপুরি অপসারণের সময় বেঁধে দিয়েছেন সিটি মেয়র।

পিএসএস

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও