যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতার আত্মসমর্পণ

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতার আত্মসমর্পণ

ফেনী প্রতিনিধি ৯:৩৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০১৯

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতার আত্মসমর্পণ

ফেনীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতা সোমবার বিকেলে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছেন।

আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণ করেন। তাঁর নাম মাইদুল আলম লাভলু। তিনি ২০০০ সালে ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।

আদালত সূত্র জানায়, ১৯৯৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ফেনীতে একজনকে খুনের ঘটনায় মামলায় (দায়রা-৫৪/২০০০) ২০০২ সালের ৩০ জুন ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মাইদুল আলম লাভলুর যাবজ্জীবন সাজা হয়। তখন তিনি পলাতক ছিলেন।

সোমবার তিনি ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু হান্নানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন।

এছাড়া মাইদুল আলম লাভলু সোমবার আরও একটি দণ্ডপ্রাপ্ত মামলায় ফেনীর যুগ্ম জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। ১৯৯৬ সালের ৮ জুলাই তৎকালীন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান মাসুদকে অপহরণ করে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় তার বাবা আবদুল খালেক ভূঁঞা ফেনী থানায় মামলা করেন।

২০০৬ সালের ১৭ জানুয়ারি ওই মামলায় রায় প্রদান করা হয়। এতে আসামি মাইদুল আলম লাভলুর পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

সোমবার তিনি ফেনীর যুগ্ম জেলা জজ (১ম আদালত) ফরিদা ইয়াসমিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। বিচারক জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা মূলে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী এম শাহজাহান সাজু পৃথক মামলায় যাবজ্জীবন এবং পাঁচ বছর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাইদুল আলম লাভলুর আদালতে আত্মসমর্পণ ও কারাগারে পাঠানোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, মাইদুল আলম লাভলু জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি থাকা অবস্থায় ২০০০ সালে বিভিন্ন মামলার আসামি হয়ে পালিয়ে কানাডায় পাড়ি জমায়। গত প্রায় ১৯ বছর প্রবাসে থাকার পর কয়েকদিন আগে দেশে ফিরে আসেন ও সোমবার ফেনীর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

এইচআর

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও