বাঘাইছড়িতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দী ৫ শতাধিক মানুষ

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

বাঘাইছড়িতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দী ৫ শতাধিক মানুষ

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি ৫:৩৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৯

বাঘাইছড়িতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দী ৫ শতাধিক মানুষ

গত শনিবার থেকে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির দুর্গম উপজেলা বাঘাইছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে করে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন এ উপজেলার পাঁচ শতাধিক মানুষ। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো উপজেলায় ২৫টির অধিক আশ্রয়কেন্দ্রে খোলা হয়েছে।

এর মধ্যে বাঘাইছড়ির মধ্যম পাড়া, মুসলিম ব্লক, পুরান মারিশ্যা, বটতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে জীবনযাবন করেছে। এ কারণে ওই এলাকাগুলোতে পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছে।


এদিকে, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও বেশিরভাগ মানুষ তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে উঠেছেন। ফলে আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষের উপস্থিতি কম বলে জানা গেছে। 

বাঘাইছড়ি পৌরসভার মেয়র জাফর আলী খান পরিবর্তন ডটকমকে জানান, পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন। অনেকে আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে আত্মীয়দের বাড়িতে চলে গেছেন। অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির কারণে পানীয় জলের টিউবওয়েলগুলো ডুবে যাওয়ার ফলে পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আসবে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হবে।


বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আহসান হাবিব জিতু জানান, দ্রুতগতিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। বৃষ্টি না কমলে আরও অনেক এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

ইউএনও জানান, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাবারের ব্যবস্থা করছেন। পরিস্থিতি খারাপ হলে আশ্রয়কেন্দ্রে সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।


এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাঙ্গামাটি শহরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষের উপস্থিতি বাড়ছে। দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রের থাকাদের দুপুর প্রদান করা হয়েছে।

কর্ণফুলী জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এটিএম আবদুজ্জাহের বলেন, ‘টানা কয়েকদিনে বৃষ্টিপাতের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার রাত ৯টায় কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের রুলকার্ভ অনুসারে পানি পরিমাণ ৮৫ দশমিক ৪৪ এমএসএল (মিন সি লেভেল)।

পিআর/এএসটি

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও