ঘটনা বাড়ালে বাড়ে, ধর্ষণ ধামাচাপা দিতে মাতব্বরের মন্তব্য

ঢাকা, ২৩ জুন, ২০১৯ | 2 0 1

ঘটনা বাড়ালে বাড়ে, ধর্ষণ ধামাচাপা দিতে মাতব্বরের মন্তব্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ১:৩০ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৯

ঘটনা বাড়ালে বাড়ে, ধর্ষণ ধামাচাপা দিতে মাতব্বরের মন্তব্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের এক কিশোরীকে বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের মোল্লাবাড়ি এলাকার বইগদা গ্রামের এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ওই কিশোরীকে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে পরিবারের সদস্যরা।

এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যসহ কয়েকজন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর মা পরিবর্তন ডটকমকে জানান, পাশের বাড়ির আব্দুল হকের ছেলে যুবায়ের (২৫) প্রতিবেশী হওয়ায় মাঝে মাঝে তাদের বাড়িতে আসতো। গত মঙ্গলবার (১১ মে) রাত ৮টার দিকে ওই কিশোরী ঘরের পাশে টয়লেটে যাওয়ার সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা যুবায়ের তার মুখ বেঁধে ফেলে। পরে তাকে টেনেহিঁচড়ে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে চলে যায়।

ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে রাতেই চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে পরিবারের সদস্যরা।

ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর মা আরো বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় বিষয়টি আমরা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যসহ কয়েকজনকে জানিয়েছি। তারা হাসপাতালে এসেছিলেন দেখে বলেছেন, পরামর্শ করে পুলিশকে বিষয়টি জানাবেন।

এদিকে এ ঘটনার পর থেকে সুষ্ঠু সমাধান এবং উপযুক্ত বিচার করে দেয়ার নামে ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালিয়েছেন স্থানীয় গ্রাম্য কয়েকজন মোড়ল।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোঃ মধু মিয়া টেলিফোনে এই প্রতিবেদক বলেন, বিষয়টি আমরা গ্রামে বসে মীমাংসা করব, তার প্রস্ততি আমরা নিয়েছি। ঘটনা বাড়ালে বাড়ে, যত তাড়াতাড়ি শেষ করা যায় ভাল। মামলায় গেলে বিষয়টি বাড়তে বাড়তে অনেক কিছু হয়। গ্রামের মধ্যে যদি এই ঘটনার উপযুক্ত বিচার করে দিতে পারি তাতেই সুন্দর। আমরা চেষ্টা করছি বিষয়টি শেষ করতে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনো পুলিশকে বিষয় জানানো হয়নি, দেখি আমরা কী করতে পারি।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন কুমার আদিত্য বলেন, থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ এখনো কেউ দেয়নি। ঘটনার বিষয়টি আমরা খোঁজ নিচ্ছি। লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এএইচআর/এএসটি

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও