খ্রিস্টান মিশনসহ একশ একর জায়গা দখলের অভিযোগ বৌদ্ধ ভিক্ষুর বিরুদ্ধে

ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

খ্রিস্টান মিশনসহ একশ একর জায়গা দখলের অভিযোগ বৌদ্ধ ভিক্ষুর বিরুদ্ধে

বান্দরবান প্রতিনিধি ১০:০১ অপরাহ্ণ, জুন ১২, ২০১৯

খ্রিস্টান মিশনসহ একশ একর জায়গা দখলের অভিযোগ বৌদ্ধ ভিক্ষুর বিরুদ্ধে

বান্দরবানে বৌদ্ধধর্মীয় এক গুরুর বিরুদ্ধে খ্রিস্টান ক্যাথলিক মিশনসহ স্থানীয় ২০ জনের প্রায় একশ একর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার দুপুরে বান্দরবান শহরের রিস্বংসং রেস্টুরেন্টের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা এ অভিযোগ করেন।

তারা বলেন, স্বর্ণজাদী ও রামজাদীর প্রতিষ্ঠাতা উ প ঞঞা জোত মহাথের প্রকাশ উচহ্লা ভান্তে সাধারণ মানুষের জায়গা দখল করে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বান্দরবান ফাতিমা রানী ক্যাথলিক মিশন গির্জার ফাদার জেরোম ডি রোজারিও, বোমাং সার্কেলে হেডম্যান রাজপুত্র নুমং প্রু মারমা, বড়ুয়া কল্যাণ সমিতির সভাপতি দিলীপ বড়ুয়া, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ফিলিপস ত্রিপুরা, আমেনা বেগম প্রমুখ।

ফাদার জেরোম ডি’ রোজারিওসহ অন্যরা অভিযোগ করে বলেন, উচহ্লা ভান্তে একজন ধর্মীয় গুরু। তারপরও তিনি কীভাবে আরেকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জমি জোরপূর্বক দখল করে নেন, বিষয়টি আমার বোধগম্য হয় না।

ক্যাথলিক মিশনের ৫.৫৭ একর জমি উচহ্লা ভান্তের বাবার কাছ থেকে কেনা হয়েছিল। এই জায়গা থেকে উৎপাদিত ধান দিয়ে চলতো মিশনের শিশুদের খাওয়া-দাওয়া। কিন্তু ২০১৪ সালে রাতের আঁধারে জায়গাগুলো দখল করে নেয়া হয়। অবৈধ দলখ উচ্ছেদ করতে আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে।

হেডম্যান রাজপুত্র নুমং প্রু বলেন, আমার বাবা প্রয়াত রাজা মংশৈপ্রু চৌধুরীর আমল থেকেই জায়গাটি আমাদের দখলে ছিলো। ৮ একর জায়গায় আমাদের ধানের চাষাবাদ ছিল। কিন্তু গভীর রাতে জায়গাগুলো দখল করে নিয়েছেন উচহ্লা ভান্তে। শুধু আমার জমি নয়, পাশের ২০ জনের প্রায় একশ একর জমি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন তিনি। আমরা জমি ফিরে পেতে আদালতের আশ্রয় নিয়েছি।

বড়ুয়া কল্যাণ সমিতির সভাপতি দিলীপ বড়ুয়া বলেন, রামজাদীর প্রতিষ্ঠাতা উচহ্লা ভান্তে একজন বৌদ্ধধর্মীয় গুরু। ধর্মীয় নেতা হিসেবে আমরা তাকে সম্মান করি। কিন্তু ধর্মীয় নেতার হওয়ার পরও তিনি বড়ুয়া সমিতিসহ ২০ জনের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছেন। যে কারণে তার সঙ্গে নিজের ধর্মের লোকজনের বিরোধ চলছে।

এইচআর

 

চট্টগ্রাম: আরও পড়ুন

আরও