নদী ও পরিবেশ রক্ষার তাগিদে শেষ হলো বান্দরবানের সম্মেলন

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

নদী ও পরিবেশ রক্ষার তাগিদে শেষ হলো বান্দরবানের সম্মেলন

মিনারুল হক, বান্দরবান ১০:১২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২০, ২০১৯

নদী ও পরিবেশ রক্ষার তাগিদে শেষ হলো বান্দরবানের সম্মেলন

নদী ও পরিবেশ বাঁচাতে হলে সবার সম্বলিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তিনি বলেন, নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

শনিবার বিকেলে জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন ও বাংলাদেশ পরিব্রাজক দলের যৌথ আয়োজনে বান্দরবানের হিলভিউ কনভেনশন হলে নদীরক্ষা সম্মেলনের শেষদিনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কেউ যাতে নদী দখল করে কোনো স্থাপনা তৈরি করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দখল হয়ে গেলে খবর নিলে হবে না, দখলের আগেই সবাইকে নদীর খবরাখবর রাখতে হবে।

জাতীয় নদীরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নদীরক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. আলাউদ্দিন, সদস্য শারমিন সোনিয়া মুরশিদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়্যারম্যান ক্যশৈহ্লা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেন, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের সভাপতি মো. মনির হোসেন প্রমুখ।

পার্বত্যমন্ত্রী আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নে পাহাড় কাটতেই হবে, তবে পাহাড় কাটতে এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে পাহাড় ধস সৃষ্টি না হয়। পাহাড় কেটে উন্নয়নের পাশাপাশি পাহাড়ের আশপাশে উন্নতমানের ড্রেন ও গার্ডার তৈরি করতে হবে। শুধু উন্নয়নের নামে পাহাড় কাটা যাবে না। পাহাড় কাটলে আশপাশে নিরাপত্তার জন্য উন্নতমানের সবকিছুই ঠিকাদারকে করতে হবে।

বীর বাহাদুর বলেন, নতুন নতুন বনায়ন সৃষ্টি করতে হবে আমাদের সবাইকে। আমাদের বনবিভাগকে সচেতন হতে হবে। বনবিভাগ যদি সচেতন থাকে, মানুষেরা কোন গাছটি কাটতে পারবে আর কোন গাছটি কাটতে পারবে না সেদিকে যদি বনবিভাগের নজর থাকে তাহলে আমাদের দেশের পাহাড় ধস অনেকটাই বন্ধ হয়ে যাবে।

এর আগে সভাস্থলে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে পাহাড়ের নদী সম্পর্কে নানা তথ্য তুলে ধরা হয়। দুদিনের এ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন স্থানের নদী গবেষক পরিবেশবিদ ও নদী পরিব্রাজক সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

এইচআর