বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিতে অনুশীলনে ওরা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯ | ১২ বৈশাখ ১৪২৬

বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিতে অনুশীলনে ওরা

টেকনাফ প্রতিনিধি ১:৪৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২১, ২০১৯

বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিতে অনুশীলনে ওরা

পানিতে ডুবে মারা যাওয়া থেকে রক্ষা পেতে মানুষের সচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব আরোপ করতে বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে ১৪তম ফরচুন বাংলা চ্যানেল সাঁতার প্রতিযোগিতা।

সকাল ৯টায় ৪৫ মিনিটে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ৩৪ জন নারী-পুরুষ টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট থেকে ১৬.১ কিলোমিটার সমুদ্রপথ পাড়ি দিবেন। ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার এবং এক্সট্রিম বাংলার আয়োজনে এ সাঁতার শুরু হয়েছে।

আয়োজকেরা জানান- পোর্টস অ্যাডভেঞ্চারকে প্রোমোট করে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি এই চ্যানেলকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচয় করার লক্ষ্যে এই আয়োজন বিগত ১৩ বছর ধরে অব্যাহত আছে, যা বাংলাদেশের তরুণ ও যুব সমাজকে মানসিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচাতে সুস্থ খেলাধুলা এবং অ্যাডভেঞ্চারে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে।

তারা আশা করছেন, বাংলা চ্যানেল সুইমিং এক্ষেত্রে একটি বিশেষ স্থান দখল করবে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে খ্যাতি বয়ে আনবে।

ইউনাইটেড সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও অফরোড বাংলাদেশ আয়োজনে ট্যুরিজম বোর্ড ও পর্যটন কর্পোরেশন ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় এডিবল ওয়েল লিমিটেড এর ব্যান্ড ‘ফরচুন’ পৃষ্ঠপোষকতায় এ সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ এডিবল ওয়েল লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার ইনাম আহমেদ, অফরোড বাংলাদেশ এর সিইও ফেরদৌস মোত্তাকিনসহ আরো অনেকেই।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ১৪ জানুয়ারি বাংলা চ্যানেলের যাত্রা শুরু হয়। মূলতঃ এটির স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন প্রয়াত কাজী হামিদুল হক। যিনি নিজেও একজন বিখ্যাত আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার ও স্কুবা ডাইভার এবং নানাবিধ অ্যাডভেঞ্চার এর সাথে জড়িত ছিলেন। তার তত্ত্বাবধানেই প্রথমবারের মতো ফজলুল কবির সিনা, লিপটন সরকার এবং সালমান সাঈদ ২০০৬ সালে ‘বাংলা চ্যানেল’ পাড়ি দেন। এরপর থেকে প্রতিবছরই এই আয়োজন করা হয়ে থাকে এবং আস্তে আস্তে এটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি পায়।

জেএম/এএসটি