ফেনীতে গণিত অলিম্পিয়াডের বাছাই পরীক্ষা

ঢাকা, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯ | ১১ চৈত্র ১৪২৫

ফেনীতে গণিত অলিম্পিয়াডের বাছাই পরীক্ষা

ফেনী প্রতিনিধি ৬:৪৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০১৯

ফেনীতে গণিত অলিম্পিয়াডের বাছাই পরীক্ষা

‘গণিত হোক সকল ভাল কাজের হাতিয়ার। অনেকের কাছে গণিত যদিও ভীতির বিষয়, কিন্তু গণিতের বিকল্প কিছুই নেই। যারা গণিতে আগ্রহী নয়, গণিত ভীতি দূর করার জন্যই এ গণিত অলিম্পিয়াডের আয়োজন। গণিতের প্রতি আকর্ষণ হোক এ গণিত উৎসবের অঙ্গীকার।’

শুক্রবার ফেনীতে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের আয়োজনে, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় এবং বন্ধুসভার সার্বিক সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত গণিতের বাছাই প্রতিযোগীতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফেনী জেলা প্রশাসক মো.ওয়াহিদুজজামান এসব কথা বলেন।

‘গণিত শেখ-স্বপ্ন দেখ’ এ শ্লোগানে সকাল ৮টা থেকেই জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে শিক্ষার্থীরা ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমবেত হতে শুরু করে। সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধ ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। তিনি বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষনা করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলোর ফেনী প্রতিনিধি আবু তাহের, প্রথম আলো ফেনী বন্ধুসভার সভাপতি অমিত মজুমদার।

এ সময় ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন চৌধুরী, সিভিল সার্জন হাসান শাহরিয়ার কবীর, ফেনী জয়নাল হাজারী কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবদুল হালিম, মহিপাল সরকারী কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আজিজুর রহমান, ফেনী সরকারী কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সহকারী অধ্যাপক মোশারফ হোসেন মিলন, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার এনএম আবদুল্লাহ আল মামুন, ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত নাথ, ডাচ বাংলা ব্যাংক ফেনী শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক মনোরঞ্জন পাল, বন্ধুসভার উপদেষ্টা শেখ নুর উদ্দিন চৌধুরী মামুন, প্রথম আলোর সোনাগাজী প্রতিনিধি আমজাদ হোসেন, ফেনী বন্ধুসভার সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আশিকুন্নবী সজিব উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্ব পালন করে প্রথম আলো ফেনী বন্ধুসভার সদস্যবৃন্দ।

১০টার শুরু হয় গণিত বাছাই পরীক্ষা। এতে চারটি ক্যাটাগরিতে ৮শ শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেন। এ সময় জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। শীতের সকালে কনকনে ঠান্ডা ও শীতল হাওয়া উপেক্ষা করেই গণিত জয়ের নেশায় মেতে ওঠে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার পর প্রশ্নোত্তর মূল্যায়ন শেষে চারটি বিভাগে ১২৪ জনকে আঞ্চলিক গণিত উৎসবের জন্য নির্বাচিত করা হয়।

এএম/টিএটি