বাড়ছে মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানি

ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫

বাড়ছে মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানি

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০১৮

বাড়ছে মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানি

বৈরি আবহাওয়ায় তিন দিন বন্ধ ছিল। এরপর বৃহস্পতিবার মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানি শুরু হয়েছে।

টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ করিডর দিয়ে এসব গবাদিপশু বাংলাদেশে আসছে।

এসব পশু টেকনাফ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে, টেকনাফ মিঠাপানির চড়া, সাবরাং ইউনিয়ন কমপ্লেক্স, শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদীর বেড়িবাঁধ ও পুরাতন বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।

ফলে আসন্ন কোরবানির ঈদে পশুর কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতি ও শুক্রবার— দ’দিনে মিয়ানমার থেকে ১৪টি ট্রলারে প্রায় ১৪৩৯টি গবাদিপশু আমদানি করা হয়েছে।

ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম, সোহেল রানা, কাসেম ও নুরুল আলম জানান, আবহাওয়া ভাল থাকলে এবার চাহিদা মেটাতে মিয়ানমার থেকে বিপুলসংখ্যক গবাদিপশু আমদানি করা হবে।

করিডরের ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম পরির্বতন ডটকমকে জানান, তিনি বিগত ছয় দিনে ৬০৩টি গবাদিপশু মিয়ানমার থেকে আমদানি করেছেন। এগুলো ভালো দামে বিক্রি করেছেন।

কুমিল্লার গরু ব্যবসায়ী আলম হাওলাদা জানান, শাহপরীর দ্বীপ করিডরে তিন মণ ওজনের একটি গরুর দাম পড়ছে ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা। পাঁচ মণের বেশি ওজনের গরু ৯০ থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এসব গরু চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লার ও ঢাকার বিভিন্ন হাটে বিক্রি হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার মিয়ানমার থেকে ১২টি ট্রলারে ১৩৬১টি গবাদিপশু এসেছে। এর মধ্যে ১২৪৪টি গরু ও ১১৭টি মহিষ।

সবমিলে ১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ৭ হাজার ১১৫টি গবাদিপশু বাংলাদেশে এসেছে। রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা।

টেকনাফ শুল্ক কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন পরির্বতন ডটকমকে জানান, গতবার মিয়ানমারের গবাদিপশু আমদানি থেকে ৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়। এবার এটি আরো বাড়বে।

টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আছাদুজ্জামান চৌধুরী জানান, মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানিতে বিজিবির সদস্যরা সব ধরনের সহযোগিতা করছে।

জেএম/আইএম