চাঁদপুরে হত্যা মামলায় পাঁচজনের প্রাণদণ্ড

ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৭ আশ্বিন ১৪২৫

চাঁদপুরে হত্যা মামলায় পাঁচজনের প্রাণদণ্ড

চাঁদপুর প্রতিনিধি ২:১৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৮

চাঁদপুরে হত্যা মামলায় পাঁচজনের প্রাণদণ্ড

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মো. মাসুদ রানা (২৩) নামে এক দোকান কর্মচারীকে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুর একটায় চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- পশ্চিম লুধুয়া বেপারী বাড়ির আবদুল বারেক বেপারীর ছেলে মো. ফারুক ওরফে নবী (২৫), একই এলাকার মৃত মোখলেছুর রহমান মুন্সির ছেলে  মোহাম্মদ আলী মুন্সি (২৮), মৃত নোয়াব আলীর ছেলে মো. আবদুল খালেক মোল্লা (৩২), দক্ষিণ লুধুয়া গ্রামের মো. আবদুর রহিম বেপারীর ছেলে ইয়ামিন বেপারী (২৪) ও একই এলাকার আবুল কাশেম মাঝির ছেলে মো. সেলিম মাঝি (২২)।

রায় ঘোষণার সময় দুইজন উপস্থিত থাকলেও ইয়ামিন বেপারী, আবদুল খালেক মোল্লা ও  সেলিম মাঝি পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মাসুন মতলব দক্ষিণ বাজারে বাদল নামে এক তেল ব্যবসায়ীর দোকান কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।  ঈদুল ফিতরের দুইদিন আগে তিনি বাড়িতে আসেন।

২০০৮ সালে ৫ অক্টোবর রাত সাড়ে ৭টার দিকে আসামি মো. আলী বাড়িতে গিয়ে মাসুদকে ডেকে নিয়ে আসেন। এরপর আর মাসুদ রাতে বাড়ি ফিরে আসেননি। অনেক খোঁজখুঁজি করে ছেলেকে না পেয়ে ৯দিন পর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে মাসুদের বাবা মো. রবিউল দর্জি।

পরে ১৫ অক্টোবর সকাল ১০টায় গোভাওর এলাকায় একটি ডোবার কচুরিপানার নিচ থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এরপর ৮জনকে আসামি করে মতলব উত্তর থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়।

এরপর ২০০৯ সালের ৩০ মে এসআই আকরাম হোসেন মজুমদার ও আ. ওহাব আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

মামলার বাদী রবিউল দর্জি দাবি করে বলেন, আটজন আসামিই পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। অথচ তিনজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। আমি বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

সরকার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন- অ্যাডভোকেট সাইয়েদুল ইসলাম বাবু ও দেবাশীষ কর মধু।

কেপি/বিএইচ/