ফেনীতে জামানত হারিয়েছেন ২২ প্রার্থী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ফেনীতে জামানত হারিয়েছেন ২২ প্রার্থী

ফেনী প্রতিনিধি ৭:৪২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০১, ২০১৯

ফেনীতে জামানত হারিয়েছেন ২২ প্রার্থী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনীতে বিএনপিসহ অন্যান্য দলের ২২ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।

রোববার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজ্জামানের দেয়া তথ্য মতে, ফেনীর তিনটি আসনে মহাজোট সমর্থিত প্রার্থী ছাড়া বাকিরা জামানত হারান।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে ফেনী-১ আসনে জাসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, ফেনী-২ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী ও ফেনী-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য লে জে (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ছাড়া কেউই এ মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেন নি।

ফেনী-১ (পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া) আসনে ৯ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন। এদের মধ্যে মহাজোট প্রার্থী শিরীন আখতার (নৌকা) ছাড়া কেউই প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পায় নি। ফলে বাকিদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এদের মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু (ধানের শীষ), জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ঢাকাস্থ ফেনী সমিতির সভাপতি শেখ আবদুল্লাহ (আপেল), বাংলাদেশর খেলাফত আন্দোলন প্রার্থী আনোয়ার উল্যাহ ভূঞা (বটগাছ), গণফোরাম প্রার্থী এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী (সূর্য), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) প্রার্থী শাহরিয়ার ইকবাল (টেলিভিশন), ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী কাজী গোলাম কিবরিয়া (হাতপাখা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী কাজী মাওলানা নুরুল আলম (মোমবাতি) ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ প্রার্থী তারেকুল ইসলাম (হারিকেন)।

ফেনী-২ (সদর) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাজারীসহ (নৌকা) ৫ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়। এ আসনে তিনি ছাড়া বাকিদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ভিপি (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী নুরুল করিম বেলালী (হাতপাখা), জাকের পাটির্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম (গোলাপ ফুল), বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টি প্রার্থী জসিম উদ্দিন (কোদাল)।

ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনে নির্বাচনে অংশ নেয় বিভিন্ন দলের ১১ প্রার্থী অংশ নেয়। এদের মধ্যে মহাজোট মনোনীত জাতীয় পার্টি প্রার্থী লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (লাঙ্গল) ছাড়া বাকি ১০ দশ জনই জামানত হারান।

এদের মধ্যে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকবর হোসেন (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল বাশার (আপেল) ও তার ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসতিয়াক আহমেদ সৈকত (নোঙ্গর), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) প্রার্থী হারাধন চক্রবর্তী (মই), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) প্রার্থী শাহরিয়ার ইকবাল (টেলিভিশন), ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক (হাতপাখা), প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি) প্রার্থী গোলাম হোসেন (বাঘ) ও ইসলামিক ফ্রন্ট প্রার্থী মো. মাঈন উদ্দিন (চেয়ার), আনোয়রুল কবীর (রিন্টু আনোয়ার) (মোটর গাড়ি), হাসান আহাম্মদ (সিংহ)।

এমআর

 

চট্টগ্রাম বিভাগ: আরও পড়ুন

আরও