তীব্র শীতে শিশুর জন্য চাই সতর্কতা

ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ | 2 0 1

তীব্র শীতে শিশুর জন্য চাই সতর্কতা

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮

তীব্র শীতে শিশুর জন্য চাই সতর্কতা

তীব্র এই শীতে শুধু জীবনযাত্রায় নয়, স্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পরে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের। এই সময় মানুষের সর্দি-কাশি, টনসিলাইটিস, নিউমোনিয়া সহ শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ, অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট, আর্থ্রাইটিস বা বাতব্যথা, হার্টের সমস্যার প্রকোপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে শিশুদের অ্যাজমা, নিউমোনিয়া, কোল্ড ডায়রিয়া, ব্রংকিওলাইটিসসহ নানা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

শিশুদের ব্যাপারে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তাই শিশুকে ঠাণ্ডা আবহাওয়া থেকে দূরে রাখুন। প্রয়োজনে মাথায় সব সময় সুতি কাপড়ের স্কার্ফ বা টুপি পরিয়ে রাখুন। শিশু যাতে নিজে নিজেই পরনের কাপড় খুলে ফেলতে না পারে সেদিকে লক্ষ রাখুন।

বেশি সময় খালি গায়ে রাখা হলে ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। এ কারণে প্রস্রাব-পায়খানা বা গোসল করানোর পর শিশুদের দ্রুত গরম কাপড় পরিয়ে দিন। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে শিশুকে আসতে না দেয়াই ভালো। শিশু আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

যেহেতু এই তীব্র শীতে শিশুরা নিউমোনিয়া, ব্রংকিওলাইটিসহ নানা রোগে খুব সহজেই আক্রান্ত হয়, সেহেতু তাদের এই সময়টাতে শীত উপযোগী কাপড় পরিধান করাতে হবে। গরম কাপড় দিয়ে শিশুদের মাথা ঢেকে রাখলে শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় থাকবে।

রুম হিটার ব্যবহার করতে পারেন। তবে লম্বা সময় ধরে রুম হিটার ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। সম্ভব হলে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ঘর থেকে বাইরে বের না করাই উত্তম।

শিশুদের অ্যাজমা প্রতিরোধে অবশ্যই ধুলোবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। প্রয়োজনে মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। দৈনন্দিন ব্যবহার্য জামাকাপড় নিয়মিত সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। শীতবস্ত্র, লেপ-তোশক নিয়মিত রোদে দিতে হবে।

ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হলে অবশ্যই শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্যালাইন খাওয়াতে হবে। শীত বলে ঠাণ্ডা লাগার ভয়ে অনেকে এ সময় শিশুদের স্যালাইন খাওয়াতে চান না, যা মোটেই ঠিক নয়। সেই সঙ্গে স্বাভাবিক খাবারও খাওয়াতে হবে।

অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের প্রকোপ এই সময় বাড়ে বলে রোগীদের খুব ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বাইরে না যাওয়াই উত্তম। আবাসস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং বিশুদ্ধ বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোনো কারণে অ্যাজমা পরিস্থিতির অবনতি হলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিতে হবে।

ইসি/

 

শিশু-স্বাস্থ্য: আরও পড়ুন

আরও