শিশুর বমি হলে করণীয়

ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮ | ৮ কার্তিক ১৪২৫

শিশুর বমি হলে করণীয়

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ, জুন ৩০, ২০১৮

শিশুর বমি হলে করণীয়

অনেকে মনে করেন, শিশুর বমি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা কিন্তু ভুল ধারণা। কারণ, নবজাতকদের অনেক কিছুর মতো বমি করার প্রবণতাও অনেক সময় বড় হয়ে দেখা দেয়। শিশুর জীবনের প্রথম কিছু সপ্তাহে খাওয়ার সাথে সামঞ্জস্য করতে যেয়ে, হঠাৎ পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে বমির এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন আজ জেনে নেই শিশুর বমি হওয়ার আদ্যোপান্ত—

শিশুর বমি হওয়ার সমস্যা শুরু হলে তা ছয় থেকে চব্বিশ ঘণ্টা পরপর হতে পারে। এজন্য আলাদা কোনো ট্রিটমেন্টের দরকার হয় না বরং শিশুকে পানিশূন্যতা থেকে বাঁচানোর জন্য বারবার তরল জাতীয় খাবার খাওয়ালেই চলে। এক্ষেত্রে বাড়তি কোনো কিছুর দরকার পড়ে না। বরং শিশুর যাতে খাবার থেকে কোনো রকম ইনফেকশন না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।

বমির সাথে যোগ যখন হবে দুশ্চিন্তা:

অতিরিক্ত খাবার খাওয়া, খাবারের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে সমস্যা হলে শিশুর বমির সমস্যা দেখা যায়। এছাড়াও পেটের ইনফেকশন, ফুড এলার্জিসহ অন্যান্য বিভিন্ন কারণে শিশু বমি করতে পারে, যা মায়ের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এছাড়া শিশুর বমি সম্পর্কে বাব-মায়ের দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, যদি নিন্মোক্ত উপসর্গগুলো দেখা যায়।

বমির সাথে রক্ত যাওয়া:

শিশুকে খাওয়ানোর আধা ঘণ্টার মধ্যে বারবার বমি করে পুরো খাবার বের করে দেওয়া। পেট বসে যাওয়া কিংবা ফেঁপে থাকা। বমির সাথে সবুজ পাতলা তরল বেরিয়ে যাওয়া।

এসব লক্ষণ দেখলে বসে না থেকে অতিদ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশুকে তরল খাবার বারবার খেতে দিতে হবে। বমি মাধ্যমে শিশুর যতটা তরল শরীর থেকে বেরিয়ে গেছে তা যাতে সঠিকভাবে পূরণ হয়ে যায় সেদিকে নজর দিতে হবে।

এর সবচেয়ে বড় উৎস হতে পারে বুকের দুধ। কিন্তু, এক্ষেত্রে শিশুকে ফলের রস দেওয়া থেকে বিরত রাখুন।

শিশুকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আগের পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যাতে শিশু খুব তাড়াতাড়ি সহজ হয়ে যেতে পারে।

সবশেষে শিশুকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে। যাতে শিশুর ওপর যতটা ধকল যায় তা দূর হতে পারে।‌

ইসি