রেল দুর্ঘটনায় আহত দুজন ঢামেকে, একজন পঙ্গুতে

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

রেল দুর্ঘটনায় আহত দুজন ঢামেকে, একজন পঙ্গুতে

ঢামেক প্রতিবেদক ৯:২৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০১৯

রেল দুর্ঘটনায় আহত দুজন ঢামেকে, একজন পঙ্গুতে

বাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় রেল দুর্ঘটনায় আহত দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পঙ্গুতে পাঠানো হয়েছে।

তারা হলেন মুন্না মিয়া (২০) ও মির্জা সাইফুদ্দিন সৈকত (২৮)। সোমা আক্তার সুমি (২১)।

মুন্না পেশায় গ্রিল মিস্ত্রি এবং হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ওমর আলী ছেলে।

মুন্নার বরাদ দিয়ে চাচা মো. ফিরোজ বলেন, বিকট শব্দে ঘুম ভাঙে তার, ততোক্ষণে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত প্রাপ্ত হয়। বেশ কিছুক্ষণ পর লোকজনের সহযোগিতায় কোনো রকম সেখান থেকে বের হয়। লোকজন তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল নিয়ে যায়। সেখান থেকে দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ডান পা ভেঙে গেছে। চিকিৎসাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, মুন্না বন্ধুদের সাথে কক্সবাজার বেড়াতে যাচ্ছিল।

এদিকে এ ঘটনায় মির্জা সাইফুদ্দিন সৈকত গত রোববার চাকরির খোঁজে সিলেটে এক আত্মীয়ের বাসায় যান। সেখান থেকে বাড়ির উদ্দেশে আসার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের শহিদুল্লাহর ছেলে সে। স্থানীয় হাসপাতাল হয়ে বিকালে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার মাথা মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে।

অপরদিকে সোমা আক্তার সুমি (২১) মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলার গাজীপুর গ্রামের মৃত মুসলিম মিয়ার মেয়ে। বর্তমানে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে থাকেন। গত বৃহস্পতিবার তার বাবা মারা যায়। এ কারণে তারা গ্রামের বাড়ি গিয়েছিল।

সোমা চট্টগ্রামের একটি কলেজ থেকে গত বছর ইন্টারমিডিয়েট পরিক্ষা দিয়ে এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। সেই বিষয়ে পরীক্ষা দেয়ার জন্য সপরিবারে ৬ জন শ্রীমঙ্গল থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। পথিমধ্যে দুর্ঘটনার শিকার হন।

ঘটনাস্থলে তার মা জাহেদা বেগম (৪৫) মারা যান। বাকি সদস্যরা আহত হয়। সকলেই স্থানীয় হাসপাতাল হয়ে পঙ্গু হাসপাতালে যান। সেখানে বাকি সদস্যরা চিকিৎসাধীন রয়েছে। পঙ্গু হাসপাতাল থেকে মাথায় আঘাতের কারণে তাকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুনরায় সন্ধ্যায় ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এইচআর

 

রাজধানী: আরও পড়ুন

আরও