আল্লাহ-নবীকে কটূক্তিকারীর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

আল্লাহ-নবীকে কটূক্তিকারীর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৪:০৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০১৯

আল্লাহ-নবীকে কটূক্তিকারীর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি

ভোলার বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে মহানবীকে কটূক্তিকারীর বিচারের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে সংঘর্ষ ও প্রাণহাণির ঘটনায় পুলিশকে দায়ী করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকায় বিক্ষোভ করেছেন কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা।

আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মোহাম্মদপুর টাউন হল মসজিদের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড হয়ে আল্লাহ করিম মসজিদের সামনে দিয়ে তিন রাস্তার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

'ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া মোহাম্মদপুর' নামে একটি সংগঠনের ব্যানারে এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মোহাম্মদপুর এলাকার প্রায় ৪০টি কওমি মাদ্রাসা এই সংগঠনের আওতাভুক্ত।

সমাবেশে কওমি মাদ্রাসা জামেয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাহফুজুল হক বলেন, ভোলার ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। এ ঘটনায় প্রশাসনের যেসব কর্মকর্তা জড়িত, বিশেষ করে বোরহানউদ্দিনের ইউএনওকে প্রত্যাহার করতে হবে।

তিনি বলেন, আল্লাহ বা রসুল সম্পর্কে কটূক্তিকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান পাশ করার দাবি জানাচ্ছি সরকারের প্রতি। এ বিধান চালু হলে কেউ আল্লাহ বা রসুলকে নিয়ে কটূক্তি করার সাহস পাবে না।

সমাবেশ থেকে ভোলার বোরহানউদ্দিনের আলেম সমাজের সকল ধরনের কর্মসূচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা হয়। এ ছাড়া ইসকনের (উগ্রবাদী হিন্দুত্ববাদীদের সংগঠন) কার্যক্রম বন্ধেরও দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা মাহমুদুর রহমান, মাওলানা মো. জোবায়ের, মাওলানা ফয়সল, মাওলানা আব্দুল জলিল প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য শুভ নামের এক যুবক গত শুক্রবার রাতে বোরহানউদ্দিন থানায় গিয়ে একটি জিডি করেন। সেখানে তিনি তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়ার অভিযোগ করেন।

এদিকে, বিপ্লব চন্দ্র শুভ নামক ফেসবুকের আইডি থেকে মেসেঞ্জারে ‘মহানবীকে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য’ ছড়িয়ে তার স্ক্রিনশট ভাইরাল করা হলে বোরহানউদ্দিনে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এর পর শুভর বিচারের দাবিতে রোববার বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ‘মুসলিম তৌহিদি জনতা’র ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হলে সেখানে পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রোববার বেলা পৌনে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলা সদরে দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে চারজন নিহত হন, আহত হন ১০ পুলিশ সদস্যসহ দেড় শতাধিক।

পিএসএস/আরপি

 

রাজধানী: আরও পড়ুন

আরও