‘এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি’

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

‘এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি’

সচিবালয় প্রতিবেদক ৫:৩১ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৭, ২০১৯

‘এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি’

গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ কিছুটা বেশি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। তবে ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলেও তিনি জানান।

রোববার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা মহানগরীর মশক নিধন কার্যক্রম বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে, আগের কয়েক বছরের চিত্র দেখলে কিছুটা হলেও প্রাদুর্ভাব বেশি মনে হচ্ছে। সেই আলোকে আমরা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে রুটিন ওয়ার্কের বাইরেও বিশেষ কার্যক্রম শুরু করেছি।

মেয়র জানান, আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের সঙ্গে জনসচেতনতাকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

জনগণকে সচেতন করতে জুমার নামাজে ইমাম সাহেবরা খুতবা দিচ্ছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও চিঠি দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাঈদ খোকন বলেন, আমরা তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিনিধি দিয়েছি। ফলে কোথাও কোনো স্প্রে ম্যান অনুপস্থিত থাকলে সহজেই তাদের চিহ্নিত করতে পারছি। ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে সব ধরনের উদ্যোগ চলমান রয়েছে। দায়িত্ব নিয়ে বলছি ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। এটা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে কমে আসবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১৫ জুলাই থেকে ৪৫০টি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে অবস্থান করবেন। কয়েকদিন আগে থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় জানিয়ে দেয়া হবে, যদি কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং কেউ আক্রান্ত না হলেও ঠাণ্ডা, কাশি ও জ্বরের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজন হলে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ সরবরাহ করা হবে।

ঢাকা দক্ষিণের মেয়র জানান, ডাক্তার যদি হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তাদের মহানগর জেনারেল হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল কিংবা সংশ্লিষ্ট কাছাকাছি হাসপাতালে তদেরকে ভর্তি করা হবে। চিকিৎসার সকল ব্যয়ভার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বহন করবে। কোনো রোগী যদি চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত স্থানে যেতে না পারেন, তাহলে আমাদের হটলাইনে ফোন দিলে ভ্রাম্যমাণ স্বাস্থ্যকর্মী তাকে বাসায় গিয়ে চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহ করবে।

মেয়র বলেন, আমার চার বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, ৯৮ থেকে ৯৯ ভাগ ক্ল্যাসিকাল ডেঙ্গু। সাত থেকে দশদিনের জ্বরে এটি সেরে যায়, কোনো ধরনের কমপ্লিকেশন তৈরি করে না। ক্ষতির কারণ থাকে না। আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই।

জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে ২১শ রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। এই ২১শ রোগী সারা দেশের, শুধু ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটির নয়। এই ২১শ রোগীর মধ্যে ১৮শ ৭৫ জন ইতোমধ্যে বাসায় চলে গেছেন, চিকিৎসাধীন আছে ৩শ রোগী। দুইজন মারা গেছেন বলে জানালেন মেয়র।

সাঈদ খোকন বলেন, ঢাকার নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দাবি করে বলছি, ঢাকায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আছে।

এসএস/এইচআর

 

রাজধানী: আরও পড়ুন

আরও