ডিএনসিসি এলাকায় হচ্ছে ২৪টি খেলার মাঠ

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ডিএনসিসি এলাকায় হচ্ছে ২৪টি খেলার মাঠ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ২:৪২ অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০১৯

ডিএনসিসি এলাকায় হচ্ছে ২৪টি খেলার মাঠ

জঙ্গিবাদের কবল থেকে নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। আর তাই ডিএনসিসি এলাকায় ২৪টি খেলার মাঠ তৈরির কাজ শুরুর কথা জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার দুপুরে গুলশান-২ এ হোটেল বেঙ্গল ব্লুবেরীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ‘উগ্রবাদ প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।

উত্তরের মেয়র বলেন, জঙ্গিরা দাওয়াতের মাধ্যমে ছেলে মেয়েদের ব্রেন ওয়াশ করত। জঙ্গিবাদের কবল থেকে নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। তাই আমরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন থেকে ২৪টি সময় উপযোগী খেলার মাঠ করার জন্য কাজ শুরু করেছি।

তিনি আরো বলেন, এসব মাঠে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করে রাতেও মাঠগুলোকে খেলাধুলার উপযোগী করে তোলা হবে। আর স্থানীয়দের এসব মাঠের প্রতি নির্ভরশীল করে তুলতে হবে, যাতে মায়েরা তার সন্তানদের মাঠে খেলতে পাঠিয়ে নিশ্চিন্ত থাকেন। তারা যাতে বুঝতে পারেন এসব খেলার মাঠে সমাজবিরোধী বা মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

জঙ্গিবাদ দমনে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করে আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা ব্যবসায়ীরা বলতে পারব, হলি আর্টিজানের পর দেশের ব্যবসার অবস্থা খারাপ হয়েছিল। আন্তর্জাতিকভাবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছিল। বিদেশি ব্যবসায়ীরা বলেছিল, আপনাদের দেশ ব্যবসার জন্য ক্যাপাবল নয়। আমরা বলেছি, আমরা ক্যাপাবল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার ক্যাপাবিলিটি ও ক্যাপাসিটি দিয়ে পুলিশের মাধ্যমে দেশে জঙ্গিবাদকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন।

ঢাকাকে সেফ সিটি করার ঘোষণা দিয়ে মেয়র বলেন, ঢাকাকে সেফ সিটি করতে হবে, তাহলে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীরা এদেশে আসবে। এজন্য সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। স্কুল, কলেজ, মাদরাসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বস্তিতেও সচেতনতামূলক প্রচারণা করতে হবে। সবার মাঝে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, নাগরিক তথ্য সংগ্রহ সপ্তাহে আমরা অভূতপূর্ণ সাড়া পেয়েছি। নতুন করে আরো পাঁচ লাখ নাগরিক আমাদের ডাটাবেজে যুক্ত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। 

তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে পরিবারের ভূমিকাই বেশি। আগে পরিবারকে সচেতন হতে হবে। তারপর প্রয়োজন সামাজিক এবং আইনি প্রক্রিয়ার সমন্বয়।

এ সময় জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস মোকাবেলায় বাসাবাড়িতে, অফিসে সিসি ক্যামেরা বসানোর আহবানও জানান ডিএমপি কমিশনার।

সাইবার ওয়ার্ল্ডে দেশকে অস্থির করতে অনেক দেশ ষড়যন্ত্র করছে বলেও অনুষ্ঠানে দাবি করেন কমিশনার।

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ) প্রলয় কুমার জোয়ারদার, গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এস এম মোস্তাক আহমেদ খান প্রমুখ। 

বাংলাদেশ পুলিশের সন্ত্রাস দমন ও আন্তজার্তিক অপরাধ প্রতিরোধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প এই সেমিনারের আ‌য়োজন ক‌রে।

পিএসএস/এএসটি

 

রাজধানী: আরও পড়ুন

আরও