সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সবাইকে সম্পৃক্ত করার ঘোষণা

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সবাইকে সম্পৃক্ত করার ঘোষণা

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৯

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সবাইকে সম্পৃক্ত করার ঘোষণা

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় নগর কর্তৃপক্ষ, নগরের নাগরিক, প্রতিনিধি এবং কর্তকর্তা-কর্মচারীসহ সবাইকে সম্পৃক্ত করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই- নগর কর্তৃপক্ষ, নগরের নাগরিকবৃন্দ, নগরের যত প্রতিনিধি ও কর্তকর্তা-কর্মচারী রয়েছে, সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) সহযোগিতা করবো।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিটিটিসির আয়োজনে ডিএসসিসি নগর ভবনের মিলনায়তনে ‘সহিংস উগ্রবাদ প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিদের করণীয়’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক সেমিনারে মেয়র এসব কথা বলেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন সিটিটিসির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, ‘আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য সম্মিলিত প্রয়াসে একটি শান্তিপ্রিয় জনপদ রেখে যেতে চাই। শত বছরের শান্তিপ্রিয় এ বাংলার মাটিতে হঠাৎ অশান্তির যে ছায়া পড়েছে, সেটি অবশ্যই প্রতিরোধ করতে হবে। এজন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হচ্ছি যে, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় ডিএসসিসির সবাই কাঁধে কাঁধ রেখে কাজ করবো। একাজে সকল কাউন্সিলরকেও সম্পৃক্ত করা হবে।’

সাঈদ খোকন বলেন, ‘সহিংস উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে, আমরা প্রাণপ্রিয় নেত্রীর নেতৃত্বে এবং যে লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি-যা কিছু অর্জন করেছি, সেটা ম্লান হয়ে যেতে পারে। এটা আমাদেরকে এখনই ভাবতে হবে। কারণ যে দেশের গ্রামগঞ্জে একসময়ে ঠিকমত বস্ত্র ছিল না সাধারণ মানুষের, আজ সে বাংলাদেশ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম বস্ত্র রফতানিকারক দেশ।’

‘যে দেশে যক্ষা, পোলিও রোগে গ্রামের পর গ্রামে শিশুর মৃত্যু ঘটতো, সে বাংলাদেশ আজকে পৃথিবীর ১২২টি দেশে ওষুধ রফতানি করে বিশ্বে দ্বিতীয় ওষুধ রফতানিকারক দেশ হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। এটা শুধুমাত্র সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিশ্রম এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে’ যোগ করেন মেয়র।

সাঈদ খোকন জানান, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৮ ভাগে ছুঁয়ে গেছে। দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক অগ্রগতির দেশ বাংলাদেশ। অনেক প্রতিবেশী দেশেও এখনও প্রবৃদ্ধির হার নিচে নেমে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। কারণ আমাদের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে। দেশ আজ মজবুতভাবে অর্থনৈতিক সাবলম্বী হচ্ছে। উন্নয়ন হচ্ছে জীবনমানের, কিন্তু আমরা যদি উগ্র-সহিংতাকে একসাথে একযোগে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি তাহলে এই অগ্রগতি থমকে যেতে পারে।’

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘বর্তমানে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে আছে। সেজন্য সিটিটিসিকে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু এটিকে অব্যাহত রাখতে নাগরিকদের সচেতনতা এবং সম্পৃক্ততার বিকল্প নেই। সকল পরিবর্তনের মূল শক্তি সচেতনতা। যদি আমাদের জনপ্রতিনিধিরা জনগণের ওপর ছড়িয়ে দেয় তবেই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমরা কাঁধ কাঁধ মিলিয়ে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে সফল হবো।’

কেএমএম/এইচআর

 

রাজধানী: আরও পড়ুন

আরও