ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯ | ৫ আষাঢ় ১৪২৬

ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১১:১০ পূর্বাহ্ণ, জুন ০৮, ২০১৯

ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ

ফাইল ছবি

ঈদুল ফিতর শেষে কর্মস্থল ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে রাজধানীবাসী। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত অবদি মফস্বল শহরগুলো থেকে ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড় লক্ষ করা গেছে বাস, লঞ্চ ও ট্রেনে। 

গত বুধবার ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়। সোমবারই অফিস শেষ করে অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পাড়ি জমায় গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে। আবার কেউ কেউ রোববার শবে কদরের ছুটির সঙ্গে সোমবার ছুটি নিয়ে আগেই পাড়ি জমান গ্রামের বাড়িতে।

ফলে বলতে গেলে ঈদের আগের শুক্রবার থেকেই অনেকটা ফাঁকা হয়ে যায় রাজধানী শহর ঢাকা। প্রায় আড়াই কোটি মানুষের এই শহর টানা কয়েকদিন ছিল একেবারেই ফাঁকা।

আগামীকাল রোববার থেকে অফিস-আদালতে কর্মচাঞ্চল্য শুরু হবে। তবে শনিবার সকালেও রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তা দেখা গেছে একেবারেই ফাঁকা। রোববার থেকে ঢাকা ফিরে পেতে পারে তার পুরনো রূপ।

এদিকে, বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় বাড়ছে বিভিন্ন বাস পয়েন্টগুলোতে। বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, সদরঘাটে ক্রমেই বাড়ছে চাপ। তবে বাড়তি ছুটি নিয়ে যারা বাড়ি গেছেন তারা ফিরছে ধীরে ধীরে। এক সপ্তাহের আগে স্বাভাবিক চাঞ্চল্য ফিরবে না রাজধানীতে এমনটিই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

এদিকে, ঈদ উপলক্ষে যতোদিন যাত্রীর চাপ থাকবে ততোদিন পর্যন্ত ট্রেনের বিশেষ সেবা চলবে বলে জানিয়েছে কমলাপুর রেল স্টেশন কর্তৃপক্ষ। রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদের আগে মানুষকে নিরাপদে যেভাবে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সেভাবেই নিরাপদে কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনার সব প্রস্তুতি রয়েছে। 

তাদের দাবি, ঈদের আগে যেসব বিশেষ ট্রেন চলাচল করেছে সেগুলো এখনো ফিরতি যাত্রী আনতে চলাচল করছে। 

ভোগান্তি ছিল ঈদের আগে লঞ্চযাত্রীদের। বিশেষ করে আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় ঈদের আগের দিন লম্বা সময় ধরে বন্ধ ছিল লঞ্চ চলাচল। ঈদের পরের আবহাওয়া ভাল থাকায় এ পর্যন্ত লঞ্চঘাটে তেমন কোনো বিড়ম্বনা চোখে পড়েনি।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন দক্ষিণাঞ্চলের ৪৪টি রুটে ৯০-৯৫টি লঞ্চ চলাচল করছে।

তবে উত্তরবঙ্গের মানুষদের ঈদের আগের দিন টাঙ্গাইলে লম্বা যানজট মোকাবেলা করেই যেতে হয়েছে বাড়িতে। শোনা যাচ্ছে শনিবার ফেরার পথেও তাদেরকে এলেঙ্গা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত কিছু কিছু জায়গায় যানজটে পড়তে হয়েছে। 

এসএস/আরপি