বেফাকে ওলামায়ে কেরাম ও তাবলিগ মুরুব্বিদের যৌথ বৈঠক

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

বেফাকে ওলামায়ে কেরাম ও তাবলিগ মুরুব্বিদের যৌথ বৈঠক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৭:৩৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮

বেফাকে ওলামায়ে কেরাম ও তাবলিগ মুরুব্বিদের যৌথ বৈঠক

বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক) অফিসে দেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম ও তাবলিগের মুরব্বিদের যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  বেলা ১১টার দিকে এ বৈঠক হয়। গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকে বক্তারা বলেন, গত ১ ডিসেম্বর টঙ্গী ময়দানে বিপথগামী সাদপন্থিরা যে আমানবিক ও নৃশংস হামলা করেছে, তার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। এ হামলায় তাবলিগের সাথী ও মাদ্রাসার শিক্ষক-ছাত্রসহ অন্তত ৫ হাজার আহত হয়েছেন।

শতাধিক গুরুতর আহতাবস্থায় আছেন, যারা ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সাদপন্থিরা এখনো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাবলিগী সাথী, আলেম ও ওলামাদের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে।

বক্তারা আরো বলেন, টঙ্গীর হামলায় পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। ওইদিন ডিউটিরত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিষয়েও তদন্তপূর্বক শাস্তি দাবি করছি।

সভায় তিনটি বিষয় গৃহীত হয়। তিনটি দাবি-দাওয়া পূরণের বাকি দাবি-দাওয়া নিয়ে শুক্রবারের পরে সরকারের সাথে শীর্ষ ওলামা ও তাবলিগের মুরুব্বিদের বৈঠক হতে পারে।

দাবিগুলো হলো- ১. টঙ্গী ময়দানকে মসজিদ, মাদ্রাসা, শবগুজারির জন্য অবমুক্ত করে ১ ডিসেম্বরের আগের অবস্থায় অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া। ২. ওয়াসিফুল ইসলাম, মাওলানা মোশাররফ হোসাইন, খান শাহাবুদ্দিন নাছিম ও ইউনুস শিকদারকে স্থায়ীভাবে কাকরাইল মসজিদ থেকে বহিষ্কার করা। ৩. টঙ্গী ময়দানে হামলার মূলহোতা উল্লেখিত চারজনসহ মাওলানা আশরাফ আলী, মাওলানা আবদুল্লাহ মনসূর, মাওলানা মুনির বিন ইউসুফ গংকে গ্রেপ্তার করা।

বৈঠকে জানানো হয়, আগামী ১১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় সকাল ১০টায় আল্লামা আহমাদ শফীর সভাপতিত্বে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেম-ওলামা ও তাবলিগের মুরুব্বিদের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভা থেকে পরবর্তী বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বেফাকের সিনিয়ির সহ-সভাপিত শায়খুল হাদীস আল্লামা শায়খুল আশরাফ আলী।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, কাকরাইলের মুরুব্বি মাওলানা রবিউল হক, মাওলানা ওমর ফারুক, সহ-সভাপতি মাওলানা নূরুল ইসলাম, মাওলানা আবদুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, মাওলানা সাজেদুর রহমান, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া, মাওলানা সফিউল্লাহ, মাওলানা ফয়জুল্লাহ মাদানীনগর, মুফতি জসিমউদ্দিন হাটহাজারী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মাহফুযূল হক, মহাপরিচালক অধ্যাপক মাওলানা যোবায়ের আহমাদ চৌধুরী, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আযহারী, মাওলানা মুনিরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা হাসান ও মুফতি যাকারিয়া প্রমুখ।

এমএ/এএসটি