নিত্যপণ্যের দাম নিম্নমুখী

ঢাকা, শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১ পৌষ ১৪২৫

নিত্যপণ্যের দাম নিম্নমুখী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১২:৩৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১০, ২০১৮

নিত্যপণ্যের দাম নিম্নমুখী

শীতের শুরুতে শাক-সবজি, চাল, পেয়াজ, আদা, ডিমসহ প্রতিদিনকার জীবন-যাপনে অত্যাবশ্যকীয় নিত্যপণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে। বাজারে দাম কমেছে আকাশছোঁয়া আদারও। এ মসলা পণ্যটির কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। টমেটো ছাড়া শীতের প্রায় সব ধরনের শাক সবজি মিলছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দামে। শনিবার রাজধানীর কাওরান বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

কাওরান বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা মো.ইলিয়াস পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, এবার বাজারে শীতের শাক-সবজি আগাম চলে এসেছে। বাজারে শীতের সব ধরনের শাক-সবজির প্রচুর সরবরাহ রয়েছে। তাই শীতের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

তিনি বলেন, আজকে ৩০ টাকা কেজির মধ্যেই ক্রেতারা শীতের যেকোনো সবজি কিনতে পারছেন। তবে টমেটো আর গাজরের দাম একটু বেশি আর লাউ ছাড়া সব ধরনের শাকের আটি বিক্রি করছি ১০ টাকা দামে। লাউ শাকের আটি ১৫ টাকায় বিক্রি করছি।

মসলা বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম জানান, টানা দাম বাড়ার পর হঠাৎ করেই আদার দাম কমতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতিকেজি আদার দাম ৪০  থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাজারে দেশি নতুন আদা এসেছে। এজন্য ভারতীয়সহ সবধরনের আদার দাম কমেছে। আদার দাম আরো কমতে পারে বলে জানান তিনি।   

ডিমের দাম ডজন প্রতি ১০ টাকা কমে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা ভারতীয় পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা কেজি দামে। দেশি পেয়াজ ৩০থেকে ৩৫ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০টাকা কেজি দামে।

এদিকে সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুল কপির কেজি ৩০ টাকা আর প্রতি পিছ ২০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। শিমের কেজি ৩০থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ২৫ টাকা, মুলা ২৫ থেকে ৩০ টাকা, বাধাকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, কচুর ছড়া ৩০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, ধনিয়া পাতা কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে।

চাল বিক্রেতা আবদুর রশিদ বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় চিকন-মোটা মিলিয়ে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে  ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। কয়েক দিনের মধ্যে নতুন চাল বাজারে আসলে দাম আরো কমবে।

তিনি বলেন, আজকে  ৬৬ টাকার নাজিরশাইল ৬০ টাকা দামে বিক্রি করছে। মিনিকেট ৫৬ টাকায়, আর সব ধরনের মোটা চাল কেজিতে ২ টাকা কমে বিক্রি করছি।

মাছবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ৬০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৫০০ গ্রামের নিচের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দামে। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দামে। এছাড়া রুই ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা,কাতল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, মৃগেল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৫৫০, বোয়াল ৫০০ থেকে  ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এফএ/এআরই