ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতায় হাতিরঝিলে নারীদের সাড়ে ৭ কি.মি. ম্যারাথন

ঢাকা, ২৪ জুন, ২০১৯ | 2 0 1

ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতায় হাতিরঝিলে নারীদের সাড়ে ৭ কি.মি. ম্যারাথন

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১১, ২০১৮

ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতায় হাতিরঝিলে নারীদের সাড়ে ৭ কি.মি. ম্যারাথন

বাংলাদেশেও নারীদের ব্রেস্ট ক্যান্সার সম্পর্কে মানসিকতা বিকাশে ও সচেতনতা বাড়াতে শুক্রবার রাজধানীর হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সাড়ে ৭ কিলোমিটারের ম্যারাথন। ক্যান্সার যুদ্ধে জয়ী হতে নারীদের উদ্ভুদ্ধ করতে ‘বিকন উওমেন মিনি ম্যারাথন ২০১৮’ নামে যৌথভাবে এই আয়োজনটি করতে যাচ্ছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও এভারেস্ট একাডেমি।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানান বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড’র ভাইস প্রেসিডেন্ট (মার্কেটিং) মাহমুদুল হক পল্লব।

তিনি বলেন, শুক্রবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬ টায় ঢাকার হাতিরঝিলে ‘বিকন উওমেন মিনি ম্যারাথনে’ তিন শতাধিক নারী অংশ গ্রহণ করবেন।

পল্লব জানান, নারী দৌড়বিদদের উৎসাহ দিতে প্রধান অতিধি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ব বিদ্যাল্যয়ের সাবেক উপাচার্য আসম আরেফিন সিদ্দিকি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ডা. গীতিআরা নাসরিন, অভিনেত্রী শমি কায়সারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

তাদের এই দৌড়টি হাতিরঝিলের এফডিসি মোড়ে শুরু হয়ে পুরো হাতিরঝিল প্রদক্ষিণ করে আবারো এফডিসি মোড়ে এসে শেষ হবে। সাড়ে সাত কিলোমিটার এই দৌড়ের জন্য সময় বরাদ্দ করা হয়েছে ১ ঘণ্টা। হাতিরঝিলের দৌড়ে ৫ টি ওয়াটার পয়েন্টের মাধ্যমে দৌড়বিদদের জন্য পানি সরবাহ করা হবে। এছাড়াও  অ্যাম্বুলেন্স, মেডিকেল টিম ও দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক সেখানে সহযোগিতা করবেন বলেও জানান পল্লব।

তিনি বলেন, মূলত এই অক্টোবর মাসে বিশ্বব্যাপী ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হয়। তাই এই আয়োজনে ব্রেস্ট ক্যান্সার সম্পর্কেও সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি অন্যান্য ক্যান্সার সম্পর্কেও মানুষকে জানানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মাহমুদুল হক পল্লব আরও বলেন, ব্রেস্ট ক্যান্সার এমন একটি রোগ যে অনেক সময় নারীরা এটা প্রকাশ করতে চায় না। কারন সামাজিকভাবে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। অবিবাহিত নারীরা প্রকাশ করতে চান না এই ভয়ে যে তাদের বিয়ে হবে না। আর বিবাহিতরা মনে করেন যে এই কথা জানালে স্বামী তাকে তালাক দিতে পারে।

সেই ভয়ে নারীরা গোপন রেখে ক্যান্সার দীর্ঘদিন লালন করেন। তবে প্রাথামিক অবস্থায় যদি এই ক্যান্সারটি ধরা পরে তাহলে বাংলাদেশেই এর ভাল চিকিৎসা করা সম্ভব বলে জানান মাহমুদুল হক পল্লব।

তিনি বলেন, অথচ বাংলাদেশে ২০০৯ সাল থেকে মরণব্যাধী কান্সারের ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি এখন দেশেই প্রয়োজনের ৯৯ শতাংশ কান্সারের ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত করা হয়। তবে বিষয়টি প্রচারণা না থাকায় খুব বেশি মানুষ এ তথ্য জানেন না।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, এভারেস্ট একাডেমির প্রধান নির্বাহী (সিইও) রাফাহ উদ্দিন সিরাজী ও বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এর গ্রুপ ম্যানেজার সাফায়েত প্রমুখ।

এফএম/

 

রাজধানী: আরও পড়ুন

আরও