মশা মারতে গাপ্পি মাছ ছাড়লেন সাঈদ খোকন

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫

মশা মারতে গাপ্পি মাছ ছাড়লেন সাঈদ খোকন

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৪:৪৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০১৮

মশা মারতে গাপ্পি মাছ ছাড়লেন সাঈদ খোকন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় মশক নিধনে নালা-নর্দমায় ১০ হাজার গাপ্পি মাছ অবমুক্ত করেছেন মেয়র সাঈদ খোকন। মঙ্গলবার ডিএসসিসির অঞ্চল-৪ এর কাজী আলাউদ্দিন রোডের নালায় গাপ্পি মাছ অবমুক্ত করেন তিনি।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উৎযাপন উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী ‘স্বচ্ছ ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই গাপ্পি মাছ অবমুক্ত করা হয়।

গাপ্পি মাছের বিষয়ে সাঈদ খোকন বলেন, স্বচ্ছ ঢাকা কর্মসূচির আওতায় পরিচ্ছন্ন নগরীর পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে মশক নিধন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ১০ হাজার গাপ্পি মাছ ডিএসসিসির অঞ্চল-৪ এর নালা-নর্দমা-ড্রেনে অবমুক্ত করে ফলাফল দেখা হবে। যদি ইতিবাচক ফলাফল দেখি তাহলে সকল অঞ্চলে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, ঢাকার প্রথম মেয়র মো. হানিফ দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন। তখন কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল। কারণ কিউলেক্স মশা নালা-নর্দমায় বংশ বিস্তার করে। তাই আবারও এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।

তবে গাপ্পি মাছে চিকুনগুনিয়ার বাহক এডিস মশা নিধন হবে না। কারণ এডিস মশা বাসা-বাড়িতে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে বংশ বিস্তার করে। তাই বাসা-বাড়িতে জমে থাকা পানি ফেলে দিতে হবে বলে জানান মেয়র।

প্রসঙ্গত, গত বছর আগস্ট মাসে রাজধানীর স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাস মিলনায়তনে ‘চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতামূলক’ এক সেমিনারে মেয়র বলেছিলেন, গাপ্পি মাছ দৈনিক ৫০টি মশার লার্ভা খেতে সক্ষম। তাই সিটি করপোরেশন ৪৫০ কিলোমিটার ড্রেনে প্রাকৃতিক উপায়ে মশক নিধনের এই কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

এজন্য গাপ্পি মাছের ১৫ লাখ পোনা প্রয়োজন। চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে এলেও বসে থাকার কোনো সুযোগ নেই। গাপ্পি মাছ প্রকল্পের কার্মসূচি অব্যাহত থাকবে। সে সময় মেয়র গাপ্পি মাছকে মশা মারার ‘অস্ত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এ বছর মশার জ্বালায় যখন অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী, তখন গাপ্পি মাছের অবস্থা জানতে খোঁজ নিলে জানা যায়, গত বছর গাপ্পি মাছ অবমুক্ত করা হয়নি।

এবিষয়ে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বেলাল পরিবর্তন ডটকমকে জানান, সেময় উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল কিন্তু গাপ্পি মাছ অবমুক্ত করা হয়নি। গাপ্পি মাছ অবমুক্ত করা হলে কতটা কার্যকারী হবে তা নিয়ে আমাদের সংশয় ছিল। তাই নিশ্চিত না হয়ে অযথা টাকা খরচ করে সেই সময় গাপ্পি মাছ ড্রেনে ছাড়া হয়নি।

এফবি/এমএসআই

আরও পড়ুন...
এডিস মশার তথ্য পেলে বাসা বাড়িতে অভিযান