এবার আন্দোলনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫

এবার আন্দোলনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:২১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০১৮

এবার আন্দোলনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

এবার নতুন করে আন্দোলনে যুক্ত হলেন জাতীয়করণে বাদ পড়া বেসরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তারা রোববার সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিকী অনশন করছে।

জানা যায়, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশে ২৬ হাজার ১৯৩ টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেন। কিন্তু ৪ হাজার ১৬৯ টি প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়ে যায়। তখন বলা হয়, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করতে পারায় তাদেরকে জাতীয়করণ করা হয়নি।

বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় সভাপতি মামুনুর রশিদ খোকন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, জাতীয়করণের সকল শর্ত পূরণ করা হলেও জাতীয়করণ থেকে ৪ হাজার ১৬৯ টি প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। আমরা ন্যায্য দাবি নিয়ে এসেছি, দাবি পূরণ না হলে প্রয়োজনে আমরা আমরণ অনশন করবো। দাবি পূরণ না হলে ঘরে ফিরে যাবো না।

বরগুনার তালতলী উপজেলার রুবেল মিয়া বলেন, আমরা বিনা বেতনে, অর্ধহারে, অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমাদের চাকুরি আছে বেতন নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দাবি মেনে নিয়ে জাতীয়করণের ব্যবস্থা করবেন।

এদিকে জাতীয়করণের দাবিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের আমরণ অনশন শুক্রবার পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে।

গত ১০ জানুয়ারি থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরামের ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকেরা। পরে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে আমরণ অনশনে বসেন।

এরআগে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকে টানা ৬ দিন আমরণ অনশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার আশ্বাস দিলে শিক্ষকরা অনশন প্রত্যাহার করেন।

এরপর গত ৯ জানুয়ারি থেকে টানা ৮দিন আমরণ অনশন শেষে ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে শিক্ষামন্ত্রী জাতীয়কারণের প্রক্রিয়ার আশ্বাস দিলে তারাও অনশন প্রত্যাহার করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেন।

টিএটি/এসবি