‘যেকোনো পণ্য রফতানিতে মিলবে নগদ সহায়তা’

ঢাকা, ১৩ জুন, ২০১৯ | 2 0 1

‘যেকোনো পণ্য রফতানিতে মিলবে নগদ সহায়তা’

পরিবর্তন প্রতিবেদক ২:২৯ অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০১৯

‘যেকোনো পণ্য রফতানিতে মিলবে নগদ সহায়তা’

আসছে অর্থবছর থেকে যে কোন পণ্য রফতানিতে নগদ সহায়তা পাবেন রফতানিকারকরা। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বিষয়টি সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থমন্ত্রনালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, সরকার ২০২১ সালের মধ্যে প্রায় ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি আয় করতে চায়। আর বর্তমানে ৪৫টি পণ্যে নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সরকার মনে করে এ সীমিত সংখ্যক পণ্যকে প্রণোদনা দিয়ে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি আয় সম্ভব নাও হতে পারে। এজন্য দেশীয় উদ্যোগক্তাদের রফতানিতে ব্যাপকভাবে উৎসাহ দিতে রফতানিমুখী সব পণ্যে প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এটি আগামী অর্থবছরের প্রথম দিন ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে পারে।

মাদক ও অস্ত্র ছাড়া অন্য যে কোনো পণ্য রফতানিতে এ সহায়তা দিবে সরকার। বর্তমানে গরু-মহিষের নাড়ি, ভুঁড়ি, শিং ও রগ রফতানির বিপরীতে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে ১০ শতাংশ হারে। শস্য ও শাক-সবজির বীজ রফতানির বিপরীতে প্রণোদনা দেয়া হয় ২০ শতাংশ হারে। পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত কার্বন রফতানির বিপরীতে প্রণোদনা দেয়া হয় ২০ শতাংশ।

এছাড়া রফতানিমুখী দেশিয় বস্ত্রখাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা দেয়া হচ্ছে ৪ শতাংশ, বস্ত্রখাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা ৪ শতাংশ, ইউরো অঞ্চলে বস্ত্রখাতের রফতানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ২ শতাংশ, নতুন পণ্য ও বাজার সম্প্রসারণে ৩ শতাংশ সহায়তা দেয়া হয়।

এছাড়া সফটওয়্যার, আইটিইএস ও হার্ডওয়্যার রফতানির বিপরীতে ১০ শতাংশ হারে নগদ সহায়াত দেয়া হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে হিমায়িত সফটসেল কাঁকড়া, ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য ও ওষুধের কাঁচামাল, সিরামিক দ্রব্য, গালভানাইজড সিট বা কয়েলস, ফটোভলটাইক মডুল, রেজার ও রেজার ব্রেডস, ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, কস্টিক সোডা এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড রফতানিতও নগদ সহায়তা দওয়া হবে।

এফএ

 

বাজেট ভাবনা: আরও পড়ুন

আরও