৩ বছর পরেও হদিশ মেলেনি ‘মুন্নাভাই’ এর

ঢাকা, সোমবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৯ | ৮ মাঘ ১৪২৫

৩ বছর পরেও হদিশ মেলেনি ‘মুন্নাভাই’ এর

পরিবর্তন ডেস্ক ২:২১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১২, ২০১৯

৩ বছর পরেও হদিশ মেলেনি ‘মুন্নাভাই’ এর

প্রেমে প্রত্যাখ্যিত ছেলেটি বিষ খেয়েছিল। একমাত্র ছেলেকে বাঁচানোর জন্য মা তাকে ভর্তি করেন হাসপাতালে, যেখানে ডাক্তারি পড়ার জন্য সদ্য ভর্তি হয়েছেন স্বয়ং মুন্নাভাই। অভিনেতা বিশাল ঠাকুর, সে যাত্রায় মায়ের কোলে ফিরে গেলেও, আসল জীবনে গত তিন বছর ধরে তার মা অপেক্ষা করে রয়েছেন ছেলের জন্য।

২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের রাতে মা দুর্গা ঠাকুরকে বলেছিলেন সিনেমা দেখতে যাওয়ার জন্য। কিন্তু মা যাননি। তার পরে রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ মায়ের থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে বেরিয়ে যান বিশাল। রাত ১টা বাবা, মহেন্দ্র ঠাকুরকে একটি এসএমএস করে তিনি জানান যে পার্টি করতে যাচ্ছেন, পর দিন দেখা হবে। কিন্তু ঠাকুর পরিবারে সেই সকাল আর আসেনি।

এবেলা পত্রিকার খবরে বলা হয়, ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে একটি পুলিশ কেসে জড়িয়ে পড়েছিলেন বিশাল ঠাকুর। টেলি-পর্দার এক অভিনেত্রী ধর্ষণের অভিযোগ আনেন বিশালের বিরুদ্ধে। ঘটনাচক্রে, তাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানানো হয় বিশালের পরিবারের তরফ থেকে। এবং পরবর্তী সময়ে সেই অভিনেত্রী অভিযোগ প্রত্যাহারও করে নেন বলে জানা যায়।

তার দু’মাস পরেই নিখোঁজ হয়ে যান বিশাল ঠাকুর। পুলিশ শত চেষ্টা করেও কোনও সূত্র পায়নি তার নিরুদ্দেশ হওয়ার। অপহরণ, খুন, নাকি বিশাল নিজেই কোথাও পালিয়ে গিয়েছেন— এখনও পর্যন্ত কিছুই জানাতে পারেননি পুলিশ।

বিশাল ঠাকুরের সেই অভিনেত্রী প্রেমিকাকে ৮ মাস আগে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় মুম্বাইয়ের কান্দিভালিতে তার নিজের ফ্ল্যাটে।

প্রসঙ্গত, মধুর ভাণ্ডারকর পরিচালিত ‘চাঁদনি বার’ (২০০১) ছবিতে টাবুর টিনএজ ছেলের চরিত্রে অভিনয় করে সকলের নজর কেড়েছিলেন বিশাল ঠাকুর। তবে ২০০৩ সালের ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’ ছবির ওই ছোট্ট চরিত্রটি এখনও ভোলেননি দর্শকরা।

জিজাক/