কেমন ছিল বাবার সঙ্গে রেখার সম্পর্ক

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮ | ৩ কার্তিক ১৪২৫

কেমন ছিল বাবার সঙ্গে রেখার সম্পর্ক

পরিবর্তন ডেস্ক: ২:৩৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১১, ২০১৮

কেমন ছিল বাবার সঙ্গে রেখার সম্পর্ক

বলিউডের এভারগ্রিন নায়িকা। ৬৪ বছর বয়সেও গ্ল্যামার চুঁইয়ে পড়ে তার। ১০ অক্টোবর, বুধবার রেখার জন্মদিনে গোটা টিনসেল টাউন জুড়ে চলছিল সেলিব্রেশন। তবে কোথাও যেন রয়ে গিয়েছে চাপা দুঃখ, না বলা হাজারও কথা, অসম্পূর্ণ থেকে যাওয়া কিছু স্বপ্ন। কিন্তু তিনি যে বলিউড সুন্দরী, তার কি আর দুঃখ করা চলে? তার চোখের পানি  কেবল সিনেমা পর্দাতেই ভালো লাগে।

বেফাঁস কোনও কথা বললেই কন্ট্রোভার্সি কুইনের তকমা, অন্যদিকে বেশি দুঃখের কথা বললেই সবাই বলবে, ‘ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছেন নায়িকা’। ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও যদি খোলামেলা আলোচনা করেন তাহলে বড্ড বেশি একস্ট্রোভার্ট, কম কথা বললে, ‘পাবলিক ফিগার হয়েও এতো লুকোছাপা কিসের?’

কলকাতা২৪ পত্রিকার খবরে বলা হয়, এই ধরণের নানা মন্তব্যই শুনতে হয় নায়ক-নায়িকাদের। তবে রেখা এবং অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাকে বারবার কথা শুনতে হলেও, ঠোঁটের কোনায় হাসিটা একই রকম রেখে দিয়েছেন তিনি। অমিতাভ বচ্চনকে নিয়ে প্রশ্ন করলে আজও তিনি সেই উচ্ছ্বলতার সঙ্গেই সব প্রশ্নের উত্তর দেন। কেউ কন্ট্রোভার্শিয়াল প্রসঙ্গ তুললে, কোনওরকম রাগারাগি নয়, মিডিয়াকে চোখ রাঙানো নয়। সাবলীলভাবেই এড়িয়ে গিয়েছেন সেগুলো।

রেখার সঙ্গে তার বাবা জেমিনি গণেশনের সম্পর্ক নিয়ে বহু আলোচনা, চর্চা হয়েছে, আর আজও হয়। রেখার অভিনয় জগতে আসার পর থেকেই বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন উঠেছিল তার এবং জেমিনি গণেশনের সম্পর্ক নিয়ে। তিনি প্রথম এই বিষয় মুখ খোলেন সিমি গরেওয়ালের চ্যাট শোতে।

দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেতার মেয়ে হলেও আক্ষরিকভাবে কোনওদিনই তার মেয়ে হয়ে উঠতে পারেননি। ছোটবেলার ধোঁয়াশা ভরা মুহূর্ত থেকে টেনে আনা কিছু মুহূর্তের কথা শেয়ার করে বলেছিলেন, ‘আমি এবং আমার সৎ বোনেরা সবাই একই স্কুলে পড়তাম। দেখতাম যে আপ্পা (বাবা) বাকিদের স্কুলে ছাড়তে আসতেন। কিন্তু আমার সঙ্গে কখনই কথা বলতেন না। আমিও কখনও গিয়ে দেখা করিনি।’

বাবাকে কাছে না পাওয়ার দুঃখটা রয়ে গিয়েছিল কিনা তা তিনি কখনই খোলসা করে বলেননি। অন্যদিকে পাঁচ সৎ বোন এবং এক ভাই। সম্পর্কের টানাপোড়েনেই বড় হয়ে ওঠা রেখার। নিজের বোন একজন। বাবার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না হলেও পরবর্তীকালে পাঁচ সৎ বোনের সঙ্গে বেশ ভালো সম্পর্ক তৈরি হয় রেখার। এমনকি জেমিনির তৃতীয় স্ত্রী সাবিত্রীকে ছোটি আম্মা বলেই সম্বোধন করতেন রেখা।

তবে তিনি এই সম্পর্কের ইন্দ্রজালে জড়াননি। বাস্তবকে মেনে নিয়ে এগিয়ে চলেছেন প্রতিনিয়ত। তবে কি অলওয়েজ লাইভলি এই চরিত্রের মাঝে কোনও কষ্ট লুকিয়ে? উজ্জ্বল দুটি চোখের মাঝে ঝিলিক মারে অজানা কিছু গল্প। বলিডিভা রেখার জন্মদিনে তার সেরা ছবি, অভিনয়, গ্ল্যামার ছাড়াও মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে এরকম অসংখ্য না বলা কথা…।

জিজাক/