এই সব গানের দৃশ্য শুট করতে কত খরচ হয়?

ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

এই সব গানের দৃশ্য শুট করতে কত খরচ হয়?

পরিবর্তন ডেস্ক: ২:৪৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮

এই সব গানের দৃশ্য শুট করতে কত খরচ হয়?

আর যাই হয়ে যাক, গান যেন ঠিকঠাক থাকে, এমনটাই ভাবেন বলিউডের বেশির ভাগ পরিচালক থেকে প্রযোজকরা। সিনেমায় গানের ব্যবহার নিয়ে সদা সচেতন তারা। বিপুল টাকাও ঢেলে ফেলেন এক একটা গান শুট করতে। বলিউডের কিছু গানে এত টাকা খরচ হয়, যে টাকায় গোটা একটা ছবিই তৈরি হয়ে যায়। সেরকমই কিছু গানের দৃশ্য তৈরি করতে কত খরচ হয়েছে জেনে নিন।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, হানি সিংয়ের ‘পার্টি অল নাইট’ গানটা মনে আছে নিশ্চয়ই। অক্ষয় কুমারের ‘বস’ ছবিটি কিন্তু একেবারেই হিট করেনি। অথচ শুধু এই গানটা শুট করতেই ৬ কোটি টাকার কাছাকাছি খরচ হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত বলিউডে সব থেকে বেশি খরচ হয়েছে এই গানটি শুট করতে।

‘ধুম থ্রি’-র ‘মলঙ্গ’ গানে আমির আর ক্যাটরিনার পারফরমেন্স দর্শকদের নজর কেড়েছিল। আমেরিকা থেকে ২০০ জন জিমন্যাস্টকে নিয়ে আসা হয়েছিল এই গানের জন্য।এই গানের পিছনে যশ রাজ ফিল্মস প্রায় ৫ কোটি টাকা খরচ করেছিল।

‘স্যাটারডে স্যাটারডে’ গানটি শুট করতে প্রযোজক খরচ করেছিলেন প্রায় ৩ কোটি টাকা। আলিয়া ভাট এবং বরুন ধাওয়ানের ‘হাম্পটি শর্মা কী দুলহানিয়া’-ও যেমন হিট হয়েছিল, হিট হয়েছিল ‘স্যাটারডে স্যাটারডে’ গানটিও।

 

‘তেবর’ ছবির ‘রাধা নাচেগি’ গানটি শুট করতে প্রচুর টাকা খরচ হয়েছিল। পোশাক, অলঙ্কার সব মিলিয়ে সোনাক্ষীকে সাজাতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা। আর এই গানের জন্য মোট খরচ হয়েছিল আড়াই কোটি টাকার কাছাকাছি।

সুপার ফ্লপ হয়েছিল সাজিদ খান পরিচালিত ‘হমশকলস’ ছবিটি। তবে হিট হয়েছিল এই ছবিরই ‘পিয়া কে বাজার’ গানটি। প্রায় ২ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল এই গানটির পিছনে।

 

আইটেম সং মানেই হিট। আর সে গানে যদি মল্লিকা শেরাওয়াত থাকে, তাহলে তো কথাই নেই। ঠিক যেমন, ‘ডবল ধামাল’ ছবির জালেবি বাই গানটা। এই গানের পিছনে প্রযোজকেরা দেড় কোটি টাকার মতো খরচ করেছিলেন।

জিজাক/