আবদুল্লাহ আল-মামুনের জন্মদিনে ‘মেরাজ ফকিরের মা’

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৫

আবদুল্লাহ আল-মামুনের জন্মদিনে ‘মেরাজ ফকিরের মা’

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১২:২৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০১৮

print
আবদুল্লাহ আল-মামুনের জন্মদিনে ‘মেরাজ ফকিরের মা’

বাংলাদেশের মঞ্চ, টিভি ও চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নাম আবদুল্লাহ আল-মামুন। বহুমাত্রিক প্রতিভার এ ব্যক্তিত্বের ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন রেখেছে নাট্যসংগঠন থিয়েটার (নাটক সরণি)।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে (সাত তলা) শুক্রবার বিকেল ৪টায় থাকছে আবদুল্লাহ আল-মামুনের ওপর আলোচনা পর্ব। নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চস্থ হবে তার নাটক ‘মেরাজ ফকিরের মা’।

থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম আবদুল্লাহ আল-মামুন। এই দলের জন্য ১৮টি নাটক লিখেছেন, নির্দেশনা দিয়েছেন ২৩টি।

তার গ্রন্থাকারে প্রকাশিত ও মঞ্চস্থ নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে সুবচন নির্বাসনে, এখনও দুঃসময়, শপথ, সেনাপতি, অরক্ষিত মতিঝিল, শাহজাদীর কালো নেকাব, এখনও ক্রীতদাস, কোকিলারা, দ্যাশের মানুষ, স্পর্ধা, মেরাজ ফকিরের মা ও মেহেরজান আরেকবার।

বাংলাদেশে টেলিভিশনে প্রথম ধারাবাহিক নাটক পরিচালনা করেন আবদুল্লাহ আল-মামুন। উল্লেখযোগ্য প্রযোজনার মধ্যে রয়েছে সংশপ্তক, ঘরোয়া, আমি তুমি সে, পাথর সময়, জোয়ার ভাটা, বাবা, শীর্ষবিন্দু, জীবন ছবি ও উত্তরাধিকার। তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র- সারেং বউ, সখী তুমি কার, এখনই সময়, দুই জীবন, দমকা, জনমদুখী ও বিহঙ্গ। এছাড়া সাতটি উপন্যাস প্রকাশ করেন তিনি।

অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন আবদুল্লাহ আল-মামুন। পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার, প্রথম জাতীয় টেলিভিশন পুরস্কার। শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে দু’বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ২০০০ সালে একুশে পদক পান।

আবদুল্লাহ আল মামুন ১৯৪২ সালের ১৩ জুলাই জামালপুরের আমড়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ডব্লিউএস

 
.



আলোচিত সংবাদ