লঞ্চ সংঘর্ষে নিহত হুমায়ূনের বাড়িতে শোকের মাতম

ঢাকা, রবিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২০ | ৬ মাঘ ১৪২৬

লঞ্চ সংঘর্ষে নিহত হুমায়ূনের বাড়িতে শোকের মাতম

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ৮:৪৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৯

লঞ্চ সংঘর্ষে নিহত হুমায়ূনের বাড়িতে শোকের মাতম

নারায়ণগঞ্জের চরকিশোরগঞ্জ এলাকার মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হুমায়ূন কবিরের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ গ্রামে পৌঁছার পর স্বজনেরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।  

স্ত্রী সিমা আক্তার ও একমাত্র ছেলের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠে। নিহত হুমায়ূন কবির (৩৭) শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রামভদ্রপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হাই বন্দুকছির ছেলে।

নিহতের পারিবারিক সুত্র জানায়, শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রাপুর এলাকার আবদুল হাই বন্দুকছির ছেলে হুমায়ুন কবীর বন্দুকছী (৩৭) ঢাকার উত্তরার ১৪ নম্বার সেক্টরে একটি হাউজিং কম্পানীতে ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতো।

গতকাল শুক্রবার ছুটি থাকায় সকালে বাড়ী আসেন তার প্রথম শ্রেনীর পড়ুয়া ছেলে নাইম কবীর ও তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। ঐ দিনেই সন্ধ্যায় শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর লঞ্চ ঘাট থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশে রওনা হয় হুমায়ুন কবীর।

মধ্যরাতে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর নামক এলাকায় বোগদাদীয়া-১৩ লঞ্চের ধাক্কায় এম ভি মানিক-৪ লঞ্চের ডেকের মাঝামঝি বিশাল অংশ জুড়ে ঢুকে পড়ে এবং এম ভি মানিক-৪ লঞ্চটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এম ভি মানিক-৪ লঞ্চের অধিকাংশ যাত্রীরা ঘুমাচ্ছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে তারা আতংকিত হয়ে পড়ে এবং লঞ্চের মধ্যে দৌড়া-দৌড়ি শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলে হুমায়ুন কবীর বন্দুকছী দুই পা বিছিন্ন হয়ে মারাত্মক আহত হয়।

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে তিনি লঞ্চের মধ্যে মারা যায়। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মিটর্ফোট হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। হুমায়ূন ছিলেন তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাঁকে হারিয়ে পরিবারের সদস্যরা শোকে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

বিইউআর/এসএস

 

বরিশাল: আরও পড়ুন

আরও