বরিশালে নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ

ঢাকা, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮ | ২ ভাদ্র ১৪২৫

বরিশালে নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ

বরিশাল ব্যুরো ২:১০ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০১৮

print
বরিশালে নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন আ.লীগ মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। এর আগে রিটার্নিং অফিসারের কাছে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছিলেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ।

এদিকে সিটি নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় নির্বাচন কমিশনের আইনী প্রয়োগ সর্বজনবিদিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপি মেয়র প্রার্থী এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার।

রবিবার দপরে নগরীর পোর্টরোড এলাকায় গণসংযোগ শেষে বিএনপি মেয়র প্রার্থী বলেন, বরিশাল সিটি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে আইন সর্বজনবিদিত নয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে বেশি বেশি প্রচার করার পাশাপাশি প্রশাসনকে অবগত করোনো উচিত ছিল। এটা না হওয়ায় কারণে কেউ মিছিল করছে, কেউ প্রতিপক্ষের মিছিলে বাঁধা দিচ্ছে এবং কেউ নির্বাচনী অফিস করছে আবার কেউ অফিস করলে বাঁধা দিচ্ছে।

সরোয়ার বলেন, প্রশাসন সরকার দলীয় প্রার্থীকে সুবিধা দিচ্ছে আর আমাদের কর্মীদের বিভিন্ন জায়গায় আচরণ বিধি বলে বাঁধা দিচ্ছে। তবে সরকারি দল যদি আচরণ বিধি মেনে চলে, তাহলে একটি সূষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে আশা করেন তিনি।

অপরদিকে নগরীর সদর রোডে গণসংযোগ শেষে আ.লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দল্লাহ বলেন, বিএনপির প্রার্থীর স্ত্রী বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। তারা নাকি নির্বাচনের পর দেখিয়ে দিবেন। এছাড়া রাতের আধারে বিএনপি প্রার্থীদের লোকজন রাস্তায় সাঁটানো নৌকার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ করেন সাদিক।

তিনি বলেন, বিএনপি যখনই নির্বাচনে বিজয়ী হন; তখন তারা কিছু বলেন না আর আমরা জয়লাভ করলে নির্বাচনে ঝামেলা হয়েছে বা আমরা ডিস্টার্ব করেছি এমন কথা তোলেন।

এ সময় সাদিক বলেন, সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে এবং বিজয়ী হতে আমরা মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি এবং দৈনিক ৩/৪টি করে উঠান বৈঠক সহ রাস্তায় রাস্তায় গণসংযোগ করে চলেছি। জণগণের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, ভোটাররা কেন্দ্রে যাবেন এবং যাকে খুশি তাকে ভোট দিবেন।

এদিকে নির্বাচন আচরণবিধি আইন সর্বজন বিদিত নয়, বিএনপির প্রার্থীর এমন মন্তব্যের বিষয় সম্পর্কে জানতে প্রধান নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার মো. মুজিুবুর রহমান এবং সহ রিটার্নিং অফিসার মো. হেলাল উদ্দিনের মূঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা বার বার সংযোগ কেটে দেন।


জেইউ/আরজি

 
.


আলোচিত সংবাদ