অর্থ পাচারের অভিযোগ অস্বীকার এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানের

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৫

অর্থ পাচারের অভিযোগ অস্বীকার এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানের

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:০৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭

print
অর্থ পাচারের অভিযোগ অস্বীকার এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানের

দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে অর্থ পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক।

বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে একথা জানান।

তবে ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম ফজলার রহমান অর্থপাচারে জড়িত আছেন কিনা তা ওয়াহিদুল হক ‘কিছু বলতে পারবেন’ না বলে এড়িয়ে যান।

এর আগে অর্থ পাচারের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক দুই কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

দুদক সূত্র জানায়, সিঙ্গাপুরে একটি অফশোর প্রতিষ্ঠান তৈরি করে ৪ কোটি ২৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার বা ৩৪০ কোটি টাকা এবি ব্যাংক থেকে পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমান দুদকে তাদের অবস্থান তুলে ধরে বক্তব্য দেন।

বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক দুদক থেকে বের হন। তার আধা ঘণ্টা পর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে দুদক।

এক প্রশ্নের জবাবে ওয়াহিদুল হক বলেন, ‘জ্বি, না। অর্থ পাচারের সঙ্গে আমি জড়িত নই। ফজলার রহমান জড়িত কিনা আমি কিছু জানি না।’

দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

একই ঘটনায় আগামী ৩১ ডিসেম্বর ও ২ জানুয়ারি ব্যাংকটির ঊর্ধ্বতন ৭ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অভিযোগে, সিঙ্গাপুরে একটি অফশোর প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করে অর্থ পাচারে কথা বলা হয়েছে। অভিযোগ তদন্তের সার্বিক দায়িত্বে রয়েছেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।

গত ২১ ডিসেম্বর দেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক আরব-বাংলাদেশ (এবি) ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ ও পরিচালক ব্যারিস্টার ফাহিমুল হক পদত্যাগ করেন।

রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তারা পদত্যাগ করেন।

এফবি/এএল/আইএম

 
.



আলোচিত সংবাদ