সরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কমেছে (ভিডিও)

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০১৯ | 2 0 1

সরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কমেছে (ভিডিও)

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৮:০৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ২২, ২০১৯

রাষ্ট্রয়ত্ত ছয়টির মধ্যে পাঁচটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। তবে বেসিক ব্যাংক বিগত ৬ মাস খেলাপি ঋণের কানাকড়িও আদায় করতে পারেনি।

সোমবার নিজ মন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও এমডিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব তথ্য জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির ও অর্থসচিব আবদুর রউফও উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের চিত্র তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৩০.৩৮ শতাংশ। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সময়ে তা কমে প্রায় ২৫ শতাংশে নেমে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের ডিসেম্বর জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ছিল ৩৭.৩২ শতাংশ। জুন পর্যন্ত সময়ে তা ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকে ২০.২৫ শতাংশের খেলাপি ঋণ কমে জুন পর্যন্ত সময়ে সাড়ে ১৪ শতাংশে নেমে এসেছে।’

মুস্তফা কামাল বলেন, ‘রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল ব্যাংকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে খোলাপি ঋণের হার ছিল যথাক্রমে ১৯.২১, ৫৭.৫৫ ও ৫৬.৫৪ শতাংশ। ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে তা কমে যথাক্রমে ১৭, ৫৭.৫৫ ও ৫৬.৩৫ শতাংশে আছে।’

এ হিসাবে সবগুলো সরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমলেও ব্যতিক্রম বেসিক ব্যাংক। ব্যাংকটির এখনো খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৮০৪ কোটি টাকা।

ঋণগ্রহীতাদের জন্য এক্সিটের একটা ব্যবস্থা রাখার প্রক্রিয়া চলমান আছে। এটি বাস্তবায়ন হলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও কমবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ‘সকল ব্যাংকে ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিট হবে। এটা যদি ৯ শতাংশও হয়, তা হবে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ইন্টারেস্ট রেট। ডাবল ডিজিটের ঋণ সুদহার হলে ঋণগ্রহীতা, ব্যাংক ও ব্যবসায়ী কেউ লাভবান হয় না। ঋণে সিম্পল ইন্টারেস্ট রেট হবে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংকের টাকা মেরেও অনেকে কিন্তু আইনের আওতায় এসেছেন। জেলেও আছেন। অনেকে পরিবারসহ জেলে আছেন।’

এ সময় তিনি ফারমার্স ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং ঋণখেলাপিদের উদাহরণ দেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করতে চাই। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো সেবা বিক্রি করা। বাংলাদেশের প্রত্যেক আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সেবা বিক্রি করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।’

এফএ/আইএম

 

ব্যাংক ও বীমা: আরও পড়ুন

আরও