পুঞ্জীভূত মন্দঋণ কমাতে ব্যাংকারদের অনুরোধ গভর্নরের

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯ | ৫ আষাঢ় ১৪২৬

পুঞ্জীভূত মন্দঋণ কমাতে ব্যাংকারদের অনুরোধ গভর্নরের

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:২৬ অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০১৯

পুঞ্জীভূত মন্দঋণ কমাতে ব্যাংকারদের অনুরোধ গভর্নরের

ব্যাংকিং খাতে পুঞ্জীভূত মন্দঋণ কমাতে ব্যাংকারদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। এ ব্যাপারে সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ‘ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট-২০১৮’ এর মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে সার্বিকভাবে ব্যাংকিং খাতের মূলধন পর্যাপ্ততা ও তারল্য ন্যূনতম আবশ্যকীয় হারের চেয়ে বেশী ছিল। দেশের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে ঋণ ও আমানতের সুদের হার এক অংকে নামিয়ে আনার জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের প্রতি আহ্বান জানান।

এছাড়া ইলেকট্রনিক পেমেন্ট ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধির ফলে সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকি বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রধান নির্বাহীগণ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট এন্ড রেগুলেটরি অথরিটি ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি এর প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফজলে কবির বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অন্যতম হিসেবে পূর্বের যেকোন সময়ের তুলনায় বাংলাদেশ বিশ্ব অর্থনীতির সাথে অনেক বেশী সম্পৃক্ত। ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থ, বাণিজ্য ও রাজনীতিতে সংঘটিত নানা পরিবর্তন আমাদের জন্য বিভিন্ন আশংকার পাশাপাশি সম্ভাবনার সুযোগও তৈরী করছে।

এসময়, আর্থিক সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন পরিবর্তনের গতি-প্রকৃতির প্রতি গভীর মনযোগী থাকার পরামর্শ প্রদান করেন তিনি।

গভর্নর বলেন, বৈশ্বিক শ্লথ প্রবৃদ্ধির হার ও নানামুখী ঝুঁকি সত্ত্বেও নিম্নমুখী মুদ্রাস্ফীতি, রেমিটেন্স ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি এবং আর্থিক খাত নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রবৃদ্ধি সহায়ক নীতিমালার পাশাপাশি শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ফলে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।

জেডএস/