ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৬ দাবি

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯ | ১২ বৈশাখ ১৪২৬

ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৬ দাবি

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:২৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৯

ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৬ দাবি

দেশের ব্যাংকিং খাতে সংস্কার চেয়ে ৬টি দাবি উপস্থাপন করেছে ঢাকা চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিস (ডিসিসিআই)।

দাবিগুলো হলো ব্যাংক ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা, বাণিজ্য খাতে ঋণ সমন্বয় করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ঋণ বাড়াতে সরকারের নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করা, স্বাধীন ব্যাংকিং কমিশন গঠন, বড় ঋণ পর্যবেক্ষণ করা, খেলাপি ঋণ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সরকারি ব্যাংকের সুশাসন নিশ্চিত করা।

বুধবার রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআইয়ের ২০১৯ সালের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উপস্থাপন করা হয়।

ডিসিসিআইয়ের সভাপতি ওসামা তাসীর সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। এসময় সিনিয়র সহ-সভাপতি ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি ইমরান আহমেদ ও পর্ষদের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিসিসিআইয়ের সভাপতি বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামানোর কোনো বিকল্প নেই। এটা নিয়ে ব্যাংকগুলোর ওপর সরকারের একটি নৈতিক চাপও আছে। কিন্তু ব্যাংকগুলো বলছে- খেলাপি ঋণের চাপে সুদহার কমাতে পারছে না তারা। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ বাড়ানোসহ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ব্যাংক খাতের সংস্কার জরুরি।

তিনি বলেন, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার কথা বিভিন্ন সভা-সমাবেশে বলে আসছে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। একই অবস্থানে আছে ঢাকা চেম্বারও।

ওসামা তাসীর বলেন, ব্যবসায় সহজীকরণ সূচকে সূচকে উন্নতি করতে হলে বিডার ওয়ান স্টপ সার্ভিস দ্রুত চালু করতে হবে।

ডিসিসিআইয়ের সভাপতি বলেন, এশিয়ার যেকোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে কর্পোরেট করহার সবচেয়ে বেশি। এটি কমাতে হবে। এছাড়া নতুন ভ্যাট আইনে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ ভ্যাট রাখার প্রস্তাব করছি।

এফএ/এএসটি