মোদি-জিনপিং বৈঠকে ওঠেনি কাশ্মীর প্রসঙ্গ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

মোদি-জিনপিং বৈঠকে ওঠেনি কাশ্মীর প্রসঙ্গ

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০১৯

মোদি-জিনপিং বৈঠকে ওঠেনি কাশ্মীর প্রসঙ্গ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠকে কাশ্মীর প্রসঙ্গ ওঠেনি। এর ফলে ভারতের পক্ষে তা স্বস্তির কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতের মল্লপুরমে গত দুই দিনের (শুক্রবার ও শনিবার) বৈঠকের পর উভয় নেতা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মো‌দি বলেছেন, ‘উহানের শীর্ষ সম্মেলন ভারত ও চীনের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্পর্ককে জোরদার করতে বড় ভূমিকা নিয়েছিল। আর চেন্নাইয়ের এই বৈঠকে দুই দেশই পারস্পরিক সম্পর্কে একটি নয়া যুগের সূচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুরে সুর মিলিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও বলেছেন, ‘গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার ‘বন্ধুর মতো’ কথা হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে খুবই আন্তরিকভাবে কথা হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্কে নয়া যুগ শুরু হলো।’

পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিজয় গোখলে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে চীনের প্রেসিডেন্ট জানিয়ে গেছেন, বৈঠকে তিনি খুব খুশি। দুই দেশের সম্পর্কে একটি নয়া যুগ শুরু হতে চলেছে।’

উভয় পক্ষের মধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ভারত ও চীন বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ দমনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়বে। বাণিজ্য, যোগাযোগ, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও জোরাদার করে তুলবে।

এদিকে, কাশ্মীর নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে এবং দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে চীন যে চাপ তৈরি করা শুরু করেছিল গত দুই দিনের বৈঠকে তার উল্লেখ না হওয়ায় ভারতের পক্ষে এটিকে বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারত চেয়েছিল, কাশ্মীর যেহেতু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, সেখানে জিনপিংয়ের নাক না গলানোই উচিত। সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর নিয়ে বার বার অভিযোগ জানিয়েছিলেন।

গত বুধবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছিলেন, তারা ‘কাশ্মীরের পরিস্থিতির ওপরে কড়া নজর’ রাখছে এবং তারা চায় জাতিসংঘের সনদ এবং দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুসারে শান্তিপূর্ণভাবে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হোক। কিন্তু এসব সত্ত্বেও জিনপিং কাশ্মীর প্রসঙ্গ উল্লেখ না করায় ইমরান খান অনেকটাই অস্বস্তিতে পড়বেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আরপি

 

এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও