আমেরিকার সঙ্গে কোনো লেভেলে আলোচনা নয়: খামেনি

ঢাকা, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

আমেরিকার সঙ্গে কোনো লেভেলে আলোচনা নয়: খামেনি

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯

আমেরিকার সঙ্গে কোনো লেভেলে আলোচনা নয়: খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেছেন, আমেরিকার সঙ্গে তার দেশের কোনো লেভেলেই আলোচনা হবে না। তাছাড়া তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের যে নীতি ওয়াশিংটন গ্রহণ করেছে তাও ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার তেহরানে আলেমদের উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের ক্লাস নিতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসার অর্থ হবে ওয়াশিংটনের অযৌক্তিক চাপ প্রয়োগের কাছে আত্মসমর্পণ করা। আলোচনায় বসলে ওয়াশিংটন তার দাবি-দাওয়া ইরানের ওপর চাপিয়ে দেবে; এ ছাড়া আমেরিকা বলে বেড়াবে তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতিতে কাজ হয়েছে।

সর্বোচ্চ নেতা বলেন, “ঠিক এ কারণেই ইরানি কর্মকর্তারা- সে প্রেসিডেন্ট হোন অথবা পররাষ্ট্রমন্ত্রী- আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে তাদের বিরোধিতা ঘোষণা করেছেন। আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় কোনো ধরনের আলোচনা প্রেসিডেন্ট বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী- কোনো লেভেলেই হবে না।”

পার্সটুডে বলছে, তবে আলোচনার সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দেননি আয়াতুল্লাহ খামেনি।

তিনি বলেন, “আমেরিকা ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত যে পরমাণু সমঝোতা থেকে গত বছর বেরিয়ে গেছে অনুশোচনা প্রকাশ করে তাতে যদি তারা ফিরে আসে তাহলে ওই সমঝোতার গঠন কাঠামোর আওতায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে বহুপক্ষীয় আলোচনায় বসবে তেহরান। এর অন্যথায় নিউ ইয়র্ক বা অন্য কোথাও কোনো মার্কিন কর্মকর্তারা সঙ্গে ইরানের কোনো কর্মকর্তা আলোচনায় বসবেন না।”

চলতি মাসের শেষ দিকে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনের অবকাশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বৈঠকে বসতে পারেন বলে যখন পশ্চিমা গণমাধ্যমে ব্যাপক জল্পনা চলছে তখন এ কঠোর নীতি-অবস্থান ঘোষণা করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে পরমাণু সমঝোতায় সই করে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু ২০১৮ সালের মে মাসে ওই সমঝোতা থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে গিয়ে তেহরানের ওপর সেসব নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তার পরই থেকে তেহরান-ওয়াশিংটন সম্পর্কে চরম টানাপড়েন চলছে।

আরপি

 

এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও