মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পাচ্ছে না ইরান

ঢাকা, ১ আগস্ট, ২০১৯ | 2 0 1

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পাচ্ছে না ইরান

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ০৯, ২০১৯

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পাচ্ছে না ইরান

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পাচ্ছে না বলে জানিয়েছে ইরান। তবে ওয়াশিংটন ইরানের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি ব্রায়ান হুক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জনগণের জন্য ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রেখেছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলছেন, ফার্মাসিউটিক্যালসের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়েছে, কারণ ওষুধ কিনতে আর্থিক লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

জানা যায়, ইরান প্রয়োজনীয় প্রায় সব মৌলিক ওষুধই নিজে উৎপাদন করে। কিন্তু এডভান্সড মেডিসিনের ক্ষেত্রে দেশটিকে আমদানির ওপরই নির্ভর করতে হয়।

বিবিসি বলছে, এক হিসাবে দেখা যায়, ইরানের প্রয়োজনীয় ওষুধের চার শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তবে আমদানি করা ওষুধ ও তাদের মূল্যের ওপর কম তথ্যই পাওয়া যায়।

ওষুধ না পাওয়া নিয়ে ভুক্তভোগী একজন বলেছেন, ওষুধটি পেতে আমাকে অন্য কয়েকটি শহরে যেতে হয়েছে যে সেখানকার ফার্মেসিগুলোতে আছে কি না। কয়েকটিতে আছে কিন্তু দাম এতো বেশি যে আমার ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

ইরানের একজন ওষুধ আমদানীকারক বিবিসিকে জানান, গত দুই বছরে ওষুধের ঘাটতি দেখা দিয়েছে এবং দামও বেড়ে গেছে।

বিশেষ করে অচেতন করা, ক্যান্সার চিকিৎসা ও ডায়াবেটিসের ওষুধ পাওয়াটাই কঠিন হয়ে উঠেছে।

ইরান সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে স্বাস্থ্য ও মেডিকেল সেবার খরচ বেড়েছে ১৯ শতাংশ। তবে ওষুধের এই ঘাটতি ও দাম বাড়ার পেছনে আরও অনেক কারণ থাকতে পারে।

খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সরকারি হিসেবে গত ১৬ মাসের ওষুধ ও উপকরণ আমদানির একটি চিত্র পাওয়া গেছে।

সেখান থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে আমদানি ১৭৬ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল এবং এর পরই এটি কমতে শুরু করে। চলতি বছর জুড়ে ৬০ শতাংশ কমে মাত্র ৬৭ মিলিয়ন ডলারে নেমে যায়।

গত বছর নভেম্বরে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর ইরানের কাছে ওষুধ সামগ্রীর বিক্রিও কমে যায় আগের তুলনায়।

আরপি

 

এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও